ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

১৬৫ শিক্ষার্থীর জন্য একমাত্র শিক্ষক: কুড়িগ্রামের বিদ্যালয়ে ব্যাহত পাঠদান

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের উত্তর ধলডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ১৬৫ জন শিক্ষার্থীকে পাঠদান করাচ্ছেন মাত্র একজন শিক্ষক। বিগত দুই বছর ধরে এই অস্বাভা‌বিক পরিস্থিতিতেই চলছে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম, যেখানে দুই শিফটের প্রতিটিতে তিনটি করে শ্রেণিতে একযোগে পাঠদান করতে হয় একমাত্র শিক্ষককে।

স্থানীয় অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে। অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন, বিদ্যালয়ে মূলত কোনো পড়াশোনা হচ্ছে না, দায়সারাভাবে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। তাদের প্রশ্ন, একজন শিক্ষক দিয়ে পাঁচটি শ্রেণিতে কীভাবে পাঠদান সম্ভব? শিক্ষার্থীরাও জানায়, এক ক্লাসে কাজ দিয়ে শিক্ষক অন্য ক্লাসে চলে গেলে তারা গোলমাল করে এবং ভালোভাবে পড়াশোনা হয় না।

বিদ্যালয়টির একমাত্র শিক্ষক শিরিনা আফরোজ জানান, গত দুই বছর ধরে তিনি একাই এই দায়িত্ব পালন করছেন। মাঝে মাঝে প্রেষণে অন্য শিক্ষক এলেও কিছুদিন পর তারা চলে যান। চলতি বছরের পাঁচ মাস ধরে একাই সামলাচ্ছেন তিনি। সমস্যা হলেও উপায় না থাকায় তাকেই এই গুরুদায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে বলে জানান তিনি।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার আখতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, পাঠদান বিঘ্নিত হচ্ছে এবং দ্রুত প্রেষণে আরও একজন শিক্ষককে সেখানে সংযুক্ত করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় স্ত্রী-সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের করুণ মৃত্যু

১৬৫ শিক্ষার্থীর জন্য একমাত্র শিক্ষক: কুড়িগ্রামের বিদ্যালয়ে ব্যাহত পাঠদান

আপডেট সময় : ১১:৪১:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের উত্তর ধলডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ১৬৫ জন শিক্ষার্থীকে পাঠদান করাচ্ছেন মাত্র একজন শিক্ষক। বিগত দুই বছর ধরে এই অস্বাভা‌বিক পরিস্থিতিতেই চলছে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম, যেখানে দুই শিফটের প্রতিটিতে তিনটি করে শ্রেণিতে একযোগে পাঠদান করতে হয় একমাত্র শিক্ষককে।

স্থানীয় অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে। অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন, বিদ্যালয়ে মূলত কোনো পড়াশোনা হচ্ছে না, দায়সারাভাবে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। তাদের প্রশ্ন, একজন শিক্ষক দিয়ে পাঁচটি শ্রেণিতে কীভাবে পাঠদান সম্ভব? শিক্ষার্থীরাও জানায়, এক ক্লাসে কাজ দিয়ে শিক্ষক অন্য ক্লাসে চলে গেলে তারা গোলমাল করে এবং ভালোভাবে পড়াশোনা হয় না।

বিদ্যালয়টির একমাত্র শিক্ষক শিরিনা আফরোজ জানান, গত দুই বছর ধরে তিনি একাই এই দায়িত্ব পালন করছেন। মাঝে মাঝে প্রেষণে অন্য শিক্ষক এলেও কিছুদিন পর তারা চলে যান। চলতি বছরের পাঁচ মাস ধরে একাই সামলাচ্ছেন তিনি। সমস্যা হলেও উপায় না থাকায় তাকেই এই গুরুদায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে বলে জানান তিনি।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার আখতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, পাঠদান বিঘ্নিত হচ্ছে এবং দ্রুত প্রেষণে আরও একজন শিক্ষককে সেখানে সংযুক্ত করা হবে।