ঢাকা ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

সিটি ব্যাংকের নিট মুনাফায় ১৬২ শতাংশের রেকর্ড প্রবৃদ্ধি

দেশের বেসরকারি খাতের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান সিটি ব্যাংক পিএলসি ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে মুনাফায় অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ব্যাংকটির নিট মুনাফা বেড়েছে ১৬২ শতাংশ। চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ব্যাংকটির কর-পরবর্তী মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২৪১ কোটি টাকা, যা ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে ছিল ৯২ কোটি টাকা। মুনাফা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ০.৬ টাকা থেকে বেড়ে ১.৬ টাকায় উন্নীত হয়েছে।

ব্যাংকের এই শক্তিশালী পারফরম্যান্সের পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে কোর ব্যাংকিং আয়ের প্রবৃদ্ধি। তথ্যমতে, ঋণ থেকে ব্যাংকের সুদ আয় ১৪ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩০৬ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এছাড়া বিনিয়োগ আয় এবং বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় ও কার্ড সেবা থেকে আসা ফি ও কমিশন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকের মোট আয় ৩৮ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

তবে মুনাফায় রেকর্ড গড়লেও ঋণের প্রবৃদ্ধি বা ক্রেডিট গ্রোথ কমে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন। তিনি জানান, ব্যাংকিং খাতের বর্তমান পরিস্থিতিতে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়া দুশ্চিন্তার বিষয়। তা সত্ত্বেও কার্যকর ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পদের গুণগত মান উন্নয়নের মাধ্যমে ব্যাংকটি তাদের অপারেটিং মুনাফায় ৬১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় লাফ

সিটি ব্যাংকের নিট মুনাফায় ১৬২ শতাংশের রেকর্ড প্রবৃদ্ধি

আপডেট সময় : ০৭:৪৮:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

দেশের বেসরকারি খাতের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান সিটি ব্যাংক পিএলসি ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে মুনাফায় অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ব্যাংকটির নিট মুনাফা বেড়েছে ১৬২ শতাংশ। চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ব্যাংকটির কর-পরবর্তী মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২৪১ কোটি টাকা, যা ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে ছিল ৯২ কোটি টাকা। মুনাফা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ০.৬ টাকা থেকে বেড়ে ১.৬ টাকায় উন্নীত হয়েছে।

ব্যাংকের এই শক্তিশালী পারফরম্যান্সের পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে কোর ব্যাংকিং আয়ের প্রবৃদ্ধি। তথ্যমতে, ঋণ থেকে ব্যাংকের সুদ আয় ১৪ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩০৬ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এছাড়া বিনিয়োগ আয় এবং বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় ও কার্ড সেবা থেকে আসা ফি ও কমিশন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকের মোট আয় ৩৮ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

তবে মুনাফায় রেকর্ড গড়লেও ঋণের প্রবৃদ্ধি বা ক্রেডিট গ্রোথ কমে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন। তিনি জানান, ব্যাংকিং খাতের বর্তমান পরিস্থিতিতে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়া দুশ্চিন্তার বিষয়। তা সত্ত্বেও কার্যকর ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পদের গুণগত মান উন্নয়নের মাধ্যমে ব্যাংকটি তাদের অপারেটিং মুনাফায় ৬১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।