ঢাকা ০৮:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

ভাড়া বাড়লেও কাটেনি পরিবহন সংকট, রাজধানীতে যাত্রী ভোগান্তি চরমে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৫:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সমন্বয় করে বাসের ভাড়া বাড়ানো হলেও রাজধানীর সড়কগুলোতে গণপরিবহনের সংকট কাটেনি। ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের সংকটের অজুহাতে অনেক পরিবহন মালিক রাস্তায় পর্যাপ্ত বাস নামাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রতিদিনের যাতায়াতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে অফিসগামী যাত্রী ও শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় স্টপেজে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে।

রাজধানীর বিভিন্ন রুট ঘুরে দেখা গেছে, মিরপুর, গুলিস্তান ও রামপুরার মতো ব্যস্ত এলাকাগুলোতে বাসের সংখ্যা আগের তুলনায় অনেক কম। পরিবহন শ্রমিকদের দাবি, ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হওয়ায় তাদের ট্রিপ সংখ্যা কমে গেছে। এছাড়া অনেক ফিটনেসবিহীন বাস আইনি জটিলতার ভয়ে রাস্তায় নামানো হচ্ছে না। ফলে যেসব বাস চলাচল করছে, সেগুলোতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে।

এদিকে, নতুন ভাড়া নির্ধারিত হলেও অনেক রুটে এখনো আগের ভাড়াই আদায় করা হচ্ছে। যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন, ভাড়া বাড়ানোর পরও সেবার মান বাড়েনি এবং বাসের পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করা হয়নি। অন্যদিকে বাস কন্ডাক্টররা বলছেন, নতুন ভাড়ার চার্ট হাতে না পাওয়ায় তারা এখনো পুরনো হারেই ভাড়া নিচ্ছেন। সব মিলিয়ে গণপরিবহন খাতে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে, যার মাশুল দিতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সীতাকুণ্ডে পুকুরে ডুবে ৪ দিনে ৫ শিশুর মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

ভাড়া বাড়লেও কাটেনি পরিবহন সংকট, রাজধানীতে যাত্রী ভোগান্তি চরমে

আপডেট সময় : ০৫:১৫:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সমন্বয় করে বাসের ভাড়া বাড়ানো হলেও রাজধানীর সড়কগুলোতে গণপরিবহনের সংকট কাটেনি। ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের সংকটের অজুহাতে অনেক পরিবহন মালিক রাস্তায় পর্যাপ্ত বাস নামাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রতিদিনের যাতায়াতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে অফিসগামী যাত্রী ও শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় স্টপেজে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে।

রাজধানীর বিভিন্ন রুট ঘুরে দেখা গেছে, মিরপুর, গুলিস্তান ও রামপুরার মতো ব্যস্ত এলাকাগুলোতে বাসের সংখ্যা আগের তুলনায় অনেক কম। পরিবহন শ্রমিকদের দাবি, ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হওয়ায় তাদের ট্রিপ সংখ্যা কমে গেছে। এছাড়া অনেক ফিটনেসবিহীন বাস আইনি জটিলতার ভয়ে রাস্তায় নামানো হচ্ছে না। ফলে যেসব বাস চলাচল করছে, সেগুলোতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে।

এদিকে, নতুন ভাড়া নির্ধারিত হলেও অনেক রুটে এখনো আগের ভাড়াই আদায় করা হচ্ছে। যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন, ভাড়া বাড়ানোর পরও সেবার মান বাড়েনি এবং বাসের পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করা হয়নি। অন্যদিকে বাস কন্ডাক্টররা বলছেন, নতুন ভাড়ার চার্ট হাতে না পাওয়ায় তারা এখনো পুরনো হারেই ভাড়া নিচ্ছেন। সব মিলিয়ে গণপরিবহন খাতে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে, যার মাশুল দিতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের।