ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

গাজীপুরে বাবা-ছেলের রহস্যজনক মৃত্যু: রেললাইনে বাবা, ঘরে ছেলের লাশ; আটক ১

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মর্মান্তিক ও রহস্যজনক ঘটনা ঘটেছে। রোববার ভোরে একটি বাড়ির মেঝেতে ছোট ছেলের রক্তাক্ত লাশ এবং পাশেই রেললাইনের ওপর বাবার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের বড় ছেলেকে আটক করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন ৫৫ বছর বয়সী সোহেল হোসেন দর্জি এবং তার ১৭ বছর বয়সী ছেলে সাকিব হোসেন দর্জি। সাকিব উত্তরা আনোয়ারা মডেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। এই ঘটনায় পুলিশ নিহত সোহেলের বড় ছেলে সোহান দর্জিকে (৩০) আটক করেছে।

নিহত সোহেল দর্জির ভায়রা হারুন অর রশিদ জানান, সোহেল দীর্ঘদিন ধরে দত্তপাড়ার বনমালা এলাকায় টিনশেড বাড়িতে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। রোববার ফজরের নামাজের আগে সোহান তার খালাকে ফোন করে জানায় যে, তার বাবা ও ভাইকে কেউ হত্যা করেছে। এই খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে সাকিবের রক্তাক্ত লাশ ঘরের মেঝেতে এবং সোহেলের লাশ পার্শ্ববর্তী বনমালা রেললাইনে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাবা-ছেলের লাশ উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এলাকাবাসীর ধারণা, সোহেল ও তার ছেলেকে নির্যাতনের পর হাত-পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয়েছে।

টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনাটি রোববার ভোরে টঙ্গীর দত্তপাড়া বনমালা প্রাইমারি স্কুল রোডের নিজ বাসায় ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করেছে এবং আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। ঘটনার পেছনের রহস্য উন্মোচনে তদন্ত চলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে ছাত্রদলের হামলায় আহত ছাত্রকে দেখতে জামায়াত সেক্রেটারি হাসপাতালে

গাজীপুরে বাবা-ছেলের রহস্যজনক মৃত্যু: রেললাইনে বাবা, ঘরে ছেলের লাশ; আটক ১

আপডেট সময় : ০৬:৪৭:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মর্মান্তিক ও রহস্যজনক ঘটনা ঘটেছে। রোববার ভোরে একটি বাড়ির মেঝেতে ছোট ছেলের রক্তাক্ত লাশ এবং পাশেই রেললাইনের ওপর বাবার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের বড় ছেলেকে আটক করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন ৫৫ বছর বয়সী সোহেল হোসেন দর্জি এবং তার ১৭ বছর বয়সী ছেলে সাকিব হোসেন দর্জি। সাকিব উত্তরা আনোয়ারা মডেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। এই ঘটনায় পুলিশ নিহত সোহেলের বড় ছেলে সোহান দর্জিকে (৩০) আটক করেছে।

নিহত সোহেল দর্জির ভায়রা হারুন অর রশিদ জানান, সোহেল দীর্ঘদিন ধরে দত্তপাড়ার বনমালা এলাকায় টিনশেড বাড়িতে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। রোববার ফজরের নামাজের আগে সোহান তার খালাকে ফোন করে জানায় যে, তার বাবা ও ভাইকে কেউ হত্যা করেছে। এই খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে সাকিবের রক্তাক্ত লাশ ঘরের মেঝেতে এবং সোহেলের লাশ পার্শ্ববর্তী বনমালা রেললাইনে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাবা-ছেলের লাশ উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এলাকাবাসীর ধারণা, সোহেল ও তার ছেলেকে নির্যাতনের পর হাত-পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয়েছে।

টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনাটি রোববার ভোরে টঙ্গীর দত্তপাড়া বনমালা প্রাইমারি স্কুল রোডের নিজ বাসায় ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করেছে এবং আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। ঘটনার পেছনের রহস্য উন্মোচনে তদন্ত চলছে।