ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের ‘এজেন্ট’ সন্দেহে ইরানে একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তির নাম ইরফান কায়ানি। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, গত জানুয়ারিতে দেশজুড়ে চলা বিক্ষোভের সময় তিনি ইসরায়েলি এজেন্ট হিসেবে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ইরানের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর এই দণ্ড কার্যকর করা হয়। তাসনিমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, কায়ানি বিক্ষোভের আড়ালে অগ্নিসংযোগ, সরকারি সম্পদ ধ্বংস এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির মতো গুরুতর অপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন। তবে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, গত বছরের শেষ দিক থেকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, যা চলতি বছরের জানুয়ারিতে চরম রূপ ধারণ করে। তেহরান বরাবরই এই বিক্ষোভের পেছনে বিদেশি শক্তির উসকানি ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করে আসছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা: সরকার বদলেও একই বঞ্চনা, বলছেন সম্পাদক মাহমুদুর রহমান

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের ‘এজেন্ট’ সন্দেহে ইরানে একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

আপডেট সময় : ০৪:২৪:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তির নাম ইরফান কায়ানি। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, গত জানুয়ারিতে দেশজুড়ে চলা বিক্ষোভের সময় তিনি ইসরায়েলি এজেন্ট হিসেবে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ইরানের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর এই দণ্ড কার্যকর করা হয়। তাসনিমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, কায়ানি বিক্ষোভের আড়ালে অগ্নিসংযোগ, সরকারি সম্পদ ধ্বংস এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির মতো গুরুতর অপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন। তবে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, গত বছরের শেষ দিক থেকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, যা চলতি বছরের জানুয়ারিতে চরম রূপ ধারণ করে। তেহরান বরাবরই এই বিক্ষোভের পেছনে বিদেশি শক্তির উসকানি ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করে আসছে।