ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

‘শিক্ষাব্যবস্থায় আসছে আমূল পরিবর্তন, গুরুত্ব পাবে শিক্ষার্থীদের মেধা ও বিকাশ’

বিগত ১৭ বছরের প্রচলিত শিক্ষাপদ্ধতির আমূল পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কেএম বাবর। তিনি বলেছেন, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে কেবল পাঠ্যবই বা একাডেমিক পড়াশোনা যথেষ্ট নয়, বরং শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের দিকেও সমান নজর দেওয়া প্রয়োজন। স্কুলে এসে শিক্ষার্থীরা যেন জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি খেলাধুলা ও সৃজনশীল কাজে অংশ নিতে পারে, সে লক্ষ্যেই নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।

শনিবার সকালে গোপালগঞ্জ শহরের ১০২ নম্বর বীনাপানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এমপি বাবর আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী গোপালগঞ্জের উন্নয়নে কোনো বৈষম্য করা হবে না। অন্যান্য জেলার মতো এখানেও সমানতালে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে এবং এলাকাবাসী কোনো নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে না।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. এহসানুল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা শিক্ষার অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি মানসম্মত পাঠদানের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা: সরকার বদলেও একই বঞ্চনা, বলছেন সম্পাদক মাহমুদুর রহমান

‘শিক্ষাব্যবস্থায় আসছে আমূল পরিবর্তন, গুরুত্ব পাবে শিক্ষার্থীদের মেধা ও বিকাশ’

আপডেট সময় : ০৪:২৪:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

বিগত ১৭ বছরের প্রচলিত শিক্ষাপদ্ধতির আমূল পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কেএম বাবর। তিনি বলেছেন, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে কেবল পাঠ্যবই বা একাডেমিক পড়াশোনা যথেষ্ট নয়, বরং শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের দিকেও সমান নজর দেওয়া প্রয়োজন। স্কুলে এসে শিক্ষার্থীরা যেন জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি খেলাধুলা ও সৃজনশীল কাজে অংশ নিতে পারে, সে লক্ষ্যেই নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।

শনিবার সকালে গোপালগঞ্জ শহরের ১০২ নম্বর বীনাপানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এমপি বাবর আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী গোপালগঞ্জের উন্নয়নে কোনো বৈষম্য করা হবে না। অন্যান্য জেলার মতো এখানেও সমানতালে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে এবং এলাকাবাসী কোনো নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে না।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. এহসানুল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা শিক্ষার অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি মানসম্মত পাঠদানের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।