ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

বিচার বিভাগ সংস্কারে সরকারের অস্পষ্টতায় জনমনে বাড়ছে উদ্বেগ: সুজন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২২:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

বিচার বিভাগ সংস্কারের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেওয়া উদ্যোগ এবং পরবর্তীতে তা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্টজনরা। জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)’ আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা অভিযোগ করেন, সাংবিধানিক দোহাই দিয়ে সরকার মূলত সংস্কার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে। বিচার বিভাগ নিয়ে জারি করা দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিল করায় জনমনে সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সুজনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বিচারপতি এম এ মতিন বলেন, সংস্কারকে সংশোধনের নামে নস্যাৎ করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র চলছে, যা জাতি মেনে নেবে না। তিনি আরও বলেন, মাজদার হোসেন মামলার ঐতিহাসিক রায়ের নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন করা নির্বাহী বিভাগের সাংবিধানিক দায়িত্ব। এই নির্দেশনা অবজ্ঞা করা সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অথচ দীর্ঘ ৭২ বছরের অর্জিত বিচারিক স্বাধীনতাকে এভাবে খর্ব করায় জনমনে চরম হতাশা বিরাজ করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

বিচার বিভাগ সংস্কারে সরকারের অস্পষ্টতায় জনমনে বাড়ছে উদ্বেগ: সুজন

আপডেট সময় : ০৭:২২:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

বিচার বিভাগ সংস্কারের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেওয়া উদ্যোগ এবং পরবর্তীতে তা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্টজনরা। জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)’ আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা অভিযোগ করেন, সাংবিধানিক দোহাই দিয়ে সরকার মূলত সংস্কার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে। বিচার বিভাগ নিয়ে জারি করা দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিল করায় জনমনে সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সুজনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বিচারপতি এম এ মতিন বলেন, সংস্কারকে সংশোধনের নামে নস্যাৎ করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র চলছে, যা জাতি মেনে নেবে না। তিনি আরও বলেন, মাজদার হোসেন মামলার ঐতিহাসিক রায়ের নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন করা নির্বাহী বিভাগের সাংবিধানিক দায়িত্ব। এই নির্দেশনা অবজ্ঞা করা সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অথচ দীর্ঘ ৭২ বছরের অর্জিত বিচারিক স্বাধীনতাকে এভাবে খর্ব করায় জনমনে চরম হতাশা বিরাজ করছে।