জাতীয় সংসদের নবনিযুক্ত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, তিনি ব্যক্তিগত কোনো উচ্চাভিলাষ নয় বরং মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিয়ে বিদায় নিতে চান। বৃহস্পতিবার বিকেলে ভোলার লালমোহন উপজেলা অডিটোরিয়ামে তাকে দেওয়া এক নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আবেগঘন বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। লালমোহন নাগরিক ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ এলাকায় এসে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, সংসদ পরিচালনায় তার ভূমিকা মূলত একজন পথপ্রদর্শকের মতো, যেখানে রাজনৈতিক দলগুলো আইন প্রণয়ন করে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের ব্যস্ততার কারণে আগের মতো নিয়মিত এলাকায় সময় দেওয়া সম্ভব না হলেও লালমোহন ও তজুমদ্দিনের মানুষের প্রতি তার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। তিনি এই জনপদের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে আজীবন কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
এলাকার দীর্ঘদিনের দাবি প্রসঙ্গে স্পিকার আশ্বাস দেন যে, ভোলা-বরিশাল সেতু বাস্তবায়ন তার অন্যতম অগ্রাধিকার হবে। এছাড়া ভোলার স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি। স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, এই মেডিকেল কলেজটি যেন লালমোহনেই স্থাপিত হয়, সে ব্যাপারে তিনি প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে বিশেষ অনুরোধ জানাবেন।
রিপোর্টারের নাম 





















