ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আস্থার সেতুবন্ধন তৈরিতে পাকিস্তানের বিশেষ উদ্যোগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০২:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিদ্যমান তিক্ততা কমিয়ে আনতে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক গড়তে সক্রিয় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানি প্রতিনিধিরা বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে উভয় দেশের নীতি-নির্ধারকদের সঙ্গে নিবিড় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ব্যক্তিগতভাবে এই মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখছেন। বিশেষ করে এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসরায়েলের মতো পক্ষগুলোর বিরোধিতার মুখেও পাকিস্তান একটি টেকসই সমাধান খুঁজছে। পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের প্রত্যাশা, এই আলোচনার মাধ্যমে হয় নতুন কোনো সমঝোতা হবে অথবা চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অন্তত ৪৫ দিন পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব হবে।

সফল এই কূটনীতি অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে পরিচালিত হচ্ছে বলে জানা গেছে। পাকিস্তান মনে করে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান প্রকাশ্যে একে অপরের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করলেও পর্দার আড়ালের এই আলোচনা মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা আনতে সহায়ক হতে পারে। উভয় পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনাই এখন ইসলামাবাদের প্রধান লক্ষ্য।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের অধিকার রক্ষাই বর্তমান সংসদের মূল লক্ষ্য: ডেপুটি স্পিকার

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আস্থার সেতুবন্ধন তৈরিতে পাকিস্তানের বিশেষ উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০৭:০২:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিদ্যমান তিক্ততা কমিয়ে আনতে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক গড়তে সক্রিয় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানি প্রতিনিধিরা বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে উভয় দেশের নীতি-নির্ধারকদের সঙ্গে নিবিড় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ব্যক্তিগতভাবে এই মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখছেন। বিশেষ করে এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসরায়েলের মতো পক্ষগুলোর বিরোধিতার মুখেও পাকিস্তান একটি টেকসই সমাধান খুঁজছে। পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের প্রত্যাশা, এই আলোচনার মাধ্যমে হয় নতুন কোনো সমঝোতা হবে অথবা চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অন্তত ৪৫ দিন পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব হবে।

সফল এই কূটনীতি অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে পরিচালিত হচ্ছে বলে জানা গেছে। পাকিস্তান মনে করে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান প্রকাশ্যে একে অপরের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করলেও পর্দার আড়ালের এই আলোচনা মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা আনতে সহায়ক হতে পারে। উভয় পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনাই এখন ইসলামাবাদের প্রধান লক্ষ্য।