ঢাকা ০৬:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

২০২৯ সালের মধ্যে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ককে ২০২৯ সালের মধ্যে চার লেনে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কটির উন্নয়ন কাজ ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা হবে।

মন্ত্রী জানান, ‘হাইওয়ে ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (ফেজ-১)’ এর আওতায় ২৬ দশমিক ২১ কিলোমিটার অংশ চার লেনে প্রশস্ত করার প্রকল্প ইতোমধ্যে অনুমোদন পেয়েছে। এই প্রকল্পের অধীনে প্রায় ২ দশমিক ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ছয় লেনের ফ্লাইওভারও নির্মাণ করা হবে। মহাসড়কের বাকি প্রায় ৪৮ কিলোমিটার অংশের জন্য বর্তমানে সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডি চলছে, যা জাইকার সহযোগিতায় দ্রুত শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর উত্থাপিত এক প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে মন্ত্রী আরও স্বীকার করেন যে, এই মহাসড়কটি বর্তমানে বেশ দুর্ঘটনাপ্রবণ। দুর্ঘটনা হ্রাসে ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এই সড়কটিকে ছয় লেনে উন্নীত করার প্রয়োজনীয়তাও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক ড্রোন বিধ্বস্ত

২০২৯ সালের মধ্যে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক

আপডেট সময় : ০৪:৩৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ককে ২০২৯ সালের মধ্যে চার লেনে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কটির উন্নয়ন কাজ ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা হবে।

মন্ত্রী জানান, ‘হাইওয়ে ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (ফেজ-১)’ এর আওতায় ২৬ দশমিক ২১ কিলোমিটার অংশ চার লেনে প্রশস্ত করার প্রকল্প ইতোমধ্যে অনুমোদন পেয়েছে। এই প্রকল্পের অধীনে প্রায় ২ দশমিক ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ছয় লেনের ফ্লাইওভারও নির্মাণ করা হবে। মহাসড়কের বাকি প্রায় ৪৮ কিলোমিটার অংশের জন্য বর্তমানে সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডি চলছে, যা জাইকার সহযোগিতায় দ্রুত শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর উত্থাপিত এক প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে মন্ত্রী আরও স্বীকার করেন যে, এই মহাসড়কটি বর্তমানে বেশ দুর্ঘটনাপ্রবণ। দুর্ঘটনা হ্রাসে ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এই সড়কটিকে ছয় লেনে উন্নীত করার প্রয়োজনীয়তাও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।