ঢাকা ০৫:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের যুদ্ধবিদ্ধস্ত মানুষের সহায়তায় কাশ্মীরিদের ৬০০ কোটি রুপির ত্রাণ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ইরানে যুদ্ধ ও সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের বাসিন্দারা এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। গত ঈদুল ফিতরের দিনে উৎসবের আমেজ সরিয়ে রেখে তারা স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ, গবাদি পশু এবং গৃহস্থালি সামগ্রী ত্রাণ হিসেবে দান করেছেন। শিশু থেকে বৃদ্ধ—সব শ্রেণির মানুষ এই বিশাল মানবিক উদ্যোগে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন।

ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কারণে কাশ্মীরকে প্রায়ই ‘ছোট ইরান’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। কয়েক শতাব্দী আগে পারস্য থেকে আসা সুফি সাধকদের প্রভাবে কাশ্মীরের শিল্প ও সংস্কৃতিতে যে গভীর বন্ধন তৈরি হয়েছিল, তারই প্রতিফলন দেখা গেছে এই ত্রাণ কার্যক্রমে। স্থানীয় সূত্র মতে, এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০০ কোটি রুপি সমমূল্যের সহায়তা সংগৃহীত হয়েছে, যা যুদ্ধাহত ও ক্ষতিগ্রস্ত ইরানিদের সহায়তায় ব্যয় করা হবে।

তবে এই বিশাল পরিমাণ অর্থ ও ত্রাণ সংগ্রহ নিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তহবিলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং এর যেন কোনো অপব্যবহার না হয়, সে বিষয়ে নজরদারি বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এটি সম্পূর্ণ একটি মানবিক উদ্যোগ এবং সাধারণ মানুষের প্রতি সহমর্মিতার বহিঃপ্রকাশ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি: গভীর সংকটের মুখে কূটনৈতিক তৎপরতা

ইরানের যুদ্ধবিদ্ধস্ত মানুষের সহায়তায় কাশ্মীরিদের ৬০০ কোটি রুপির ত্রাণ

আপডেট সময় : ০৩:২৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ইরানে যুদ্ধ ও সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের বাসিন্দারা এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। গত ঈদুল ফিতরের দিনে উৎসবের আমেজ সরিয়ে রেখে তারা স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ, গবাদি পশু এবং গৃহস্থালি সামগ্রী ত্রাণ হিসেবে দান করেছেন। শিশু থেকে বৃদ্ধ—সব শ্রেণির মানুষ এই বিশাল মানবিক উদ্যোগে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন।

ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কারণে কাশ্মীরকে প্রায়ই ‘ছোট ইরান’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। কয়েক শতাব্দী আগে পারস্য থেকে আসা সুফি সাধকদের প্রভাবে কাশ্মীরের শিল্প ও সংস্কৃতিতে যে গভীর বন্ধন তৈরি হয়েছিল, তারই প্রতিফলন দেখা গেছে এই ত্রাণ কার্যক্রমে। স্থানীয় সূত্র মতে, এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০০ কোটি রুপি সমমূল্যের সহায়তা সংগৃহীত হয়েছে, যা যুদ্ধাহত ও ক্ষতিগ্রস্ত ইরানিদের সহায়তায় ব্যয় করা হবে।

তবে এই বিশাল পরিমাণ অর্থ ও ত্রাণ সংগ্রহ নিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তহবিলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং এর যেন কোনো অপব্যবহার না হয়, সে বিষয়ে নজরদারি বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এটি সম্পূর্ণ একটি মানবিক উদ্যোগ এবং সাধারণ মানুষের প্রতি সহমর্মিতার বহিঃপ্রকাশ।