ঢাকা ০২:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ইরান আলোচনায় ফিরুক বা না ফিরুক, তাতে আমার কিছু যায় আসে না: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তেহরান পুনরায় আলোচনার টেবিলে ফিরল কি না, তা নিয়ে তিনি মোটেও চিন্তিত নন।

ইসলামাবাদে দুই পক্ষের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান আলোচনায় ফিরে আসুক বা না আসুক, তাতে আমার কিছু যায় আসে না।’ ফ্লোরিডা থেকে ফিরে ওয়াশিংটন ডিসির কাছে জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে তিনি ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনাকে ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ বলে অভিহিত করেছিলেন এবং ধারণা করেছিলেন ইরান হয়তো চুক্তিতে আসবে। তবে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তিনি অবস্থান পরিবর্তন করেন। তেহরানকে ‘মরিয়া’ উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, তারা যদি আর ফিরে না আসে, তাতেও তার কোনো সমস্যা নেই। ট্রাম্পের এমন অনমনীয় মনোভাবের পরপরই ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর নৌ অবরোধের ঘোষণা দেওয়া হয়। ওয়াশিংটনের দাবি, ইরান তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করতে এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে অর্থায়ন বন্ধ করতে রাজি না হওয়াতেই এই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বর্ষবরণে প্রস্তুত দেশ: চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রায় এবার প্রধান আকর্ষণ ‘লাল ঝুঁটির মোরগ’

ইরান আলোচনায় ফিরুক বা না ফিরুক, তাতে আমার কিছু যায় আসে না: ট্রাম্প

আপডেট সময় : ০১:২০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তেহরান পুনরায় আলোচনার টেবিলে ফিরল কি না, তা নিয়ে তিনি মোটেও চিন্তিত নন।

ইসলামাবাদে দুই পক্ষের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান আলোচনায় ফিরে আসুক বা না আসুক, তাতে আমার কিছু যায় আসে না।’ ফ্লোরিডা থেকে ফিরে ওয়াশিংটন ডিসির কাছে জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে তিনি ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনাকে ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ বলে অভিহিত করেছিলেন এবং ধারণা করেছিলেন ইরান হয়তো চুক্তিতে আসবে। তবে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তিনি অবস্থান পরিবর্তন করেন। তেহরানকে ‘মরিয়া’ উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, তারা যদি আর ফিরে না আসে, তাতেও তার কোনো সমস্যা নেই। ট্রাম্পের এমন অনমনীয় মনোভাবের পরপরই ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর নৌ অবরোধের ঘোষণা দেওয়া হয়। ওয়াশিংটনের দাবি, ইরান তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করতে এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে অর্থায়ন বন্ধ করতে রাজি না হওয়াতেই এই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।