ইরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক আলোচনা সঠিক পথেই এগোচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে একটি স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে কোনো ধরনের তাড়াহুড়ো নেই বলেও স্পষ্ট করেছেন তিনি।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি জানিয়েছেন, কাতারের মধ্যস্থতায় আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সহযোগিতা পাওয়া গেলে আগামী দুই দিনের মধ্যেই কৌশলগত হরমুজ প্রণালী বাণিজ্যিক চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে তেহরানের।
অন্যদিকে ইরানের পরামর্শক পরিষদের (মজলিস) জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি সামরিক বাহিনীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, যেকোনো হুমকির জবাব হবে তাৎক্ষণিক এবং অতীতের চেয়েও কঠোর। লক্ষ্যবস্তু বা ভৌগোলিক সীমারেখার ক্ষেত্রে ইরান কোনো সীমাবদ্ধতায় থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এর আগে খামেনেই যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন এবং একই সঙ্গে দোহায় প্রতিনিধি দল পাঠান।
যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় জি২০ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়ছে। বিরোধ মীমাংসার মাধ্যমে দ্রুত এ পথ সচল করা প্রয়োজন। বৈঠকে অংশ নেওয়া অধিকাংশ দেশই কূটনীতির মাধ্যমে সংকট সমাধানের ওপর জোর দিয়েছে।
এদিকে জ্বালানি সংকটের মুখে ইউরোপের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জার্মানি। শীত মৌসুম ঘনিয়ে এলেও দেশটির গ্যাস মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে ৬১ দশমিক ৩৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা নির্ধারিত ৮০ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম। জার্মান শিল্প সংস্থা আইএনইএস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেবাস্তিয়ান হেইনারম্যান পরিস্থিতি পর্যালোচনার তাগিদ দিয়ে জানিয়েছেন, আসন্ন সংকট এড়াতে গ্যাস মজুতের পরিকল্পনা নতুন করে সাজানো জরুরি।
























