বিগত ১৬-১৭ বছরে সংবাদপত্রের প্রতিটি বাক্যের কমার ভাঁজে ভাঁজে ফ্যাসিবাদের বয়ান ঢুকিয়ে দিয়ে মানুষের মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট বুঝতে হলে তার আগের পরিস্থিতি নিয়েও গভীরভাবে গবেষণা করা প্রয়োজন।
বুধবার (৪ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) আয়োজনে ‘বছর পেরিয়ে জুলাই সনদ: গণঅভ্যুত্থানের তরুণ অংশীদারদের সঙ্গে মতবিনিময়’ শীর্ষক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল আলম বলেন, বিগত দেড় দশকে সাধারণ মানুষকে যেভাবে অবদমিত করে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক করে রাখা হয়েছিল, তা পুরোপুরি বদলে দিতে কেবল রাজনৈতিক সংস্কার নয়, বরং একটি বড় ধরনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব ঘটাতে হবে। রাজনৈতিক বিষয়গুলোর মীমাংসা রাজপথ বা সংসদে হলেও ফ্যাসিবাদ যেন আর কখনো ফিরে আসতে না পারে, সেজন্য সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক লড়াই অব্যাহত রাখতে হবে।
তিনি নাৎসি জার্মানির উদাহরণ টেনে বলেন, হিটলার একা বা কেবল কয়েকজন কর্মকর্তার মাধ্যমে তৈরি হয়নি, তার পেছনে একটি বড় সম্মতি উৎপাদনের ব্যবস্থা কাজ করেছিল। ঠিক একইভাবে বিগত শাসনব্যবস্থায় ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরিতে কারা সহায়তা করেছিল, তাদেরও চিহ্নিত করা দরকার।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। এতে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ তাজুল ইসলামসহ তরুণ নেতারা বক্তব্য রাখেন।
























