বগুড়ায় গাঁজাসহ আটকের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২১ দিনের কারাদণ্ড পাওয়া এক নেতাসহ শহর যুবদলের দুই নেতার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অব্যাহতি পাওয়া অপর নেতার বিরুদ্ধে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরূপ মন্তব্য ও ফেসবুক লাইভে কটাক্ষ করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।
বহিষ্কৃতরা হলেন—বগুড়া শহর যুবদলের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি কামরুজ্জামান রনি এবং শহর যুবদলের সদস্য জিতু শেখ।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) শহর যুবদলের দপ্তর সম্পাদক সজল হাসান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।
যুবদল সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সদস্যরা একটি মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় আটজনকে আটক করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে ৮০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে যুবদল নেতা কামরুজ্জামান রনিও ছিলেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর অংশ হিসেবে কামরুজ্জামান রনিকে ২১ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, শহর যুবদলের সদস্য জিতু শেখের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর বিএনপির কমিটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরূপ মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ফেসবুক লাইভে বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে কটাক্ষ করে বক্তব্য দেন তিনি।
শহর যুবদলের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড ও অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি কামরুজ্জামান রনিকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে শহর যুবদলের সদস্য জিতু শেখকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
























