এশিয়ান আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে টঙ্গী স্টেডিয়ামে চলছে বাংলাদেশ দলের অনুশীলন। নিজেদের আঙিনায় প্রতিযোগিতা বলে সেরা সাফল্যের লক্ষে আঁটঘাট বেঁধে প্রস্তুতি নিচ্ছেন সাগর-ইতিরা। প্রস্তুতির আড়ালে ঘরোয়া টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ লিগের ফাইনালও হয়েছে রবিবার। চার লিগের পয়েন্ট যোগ করে সেরা হয়েছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী। রানার্সআপ হয়েছে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিকেএসপি। যৌথভাবে তৃতীয় হয়েছে তীরন্দাজ ও বাংলাদেশ আনসার।
আগামী ৮ নভেম্বর এশিয়ান আর্চারির এই বৃহৎ আসর শুরু হয়ে শেষ হবে ১৪ নভেম্বর। প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে দুই ভেন্যুতে। জাতীয় স্টেডিয়ামে ৮ থেকে ১২ নভেম্বর এবং আর্মি স্টেডিয়ামে ১৩ ও ১৪ নভেম্বর। টঙ্গীতে আজ এক ফাঁকে জাতীয় দলের প্রস্তুতি ও এশিয়ান আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপে এবারের আসরে ভালো করার প্রত্যয় জানিয়েছেন হেড কোচ মার্টিন ফ্রেডরিখ, ‘এটা আমাদের জন্য সম্মানের যে, এশিয়ান আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের জন্য এশিয়ান ফেডারেশন আমাদের ওপর আস্থা রেখেছে। এটা অনেক বড় দায়িত্ব, আমরা নিজেদের মাঠে অবশ্যই ভালো করতে চাই এবং রোমাঞ্চ নিয়ে সামনের দিকে তাকিয়ে আছি।’
এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো আর্চারির এই মর্যাদার ইভেন্ট আয়োজন হচ্ছে ঢাকায়। এর আগে ২০১৭ ও ২০২১ সালে সফলভাবে এই আয়োজন সম্পন্ন করেছিল বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশন।
২০২১ সালের আসরে একটি রুপা ও ২টি ব্রোঞ্জ পেয়েছিল বাংলাদেশ; রিকার্ভ মিশ্র দ্বৈতে এসেছিল রুপা। ছেলে ও মেয়েদের দলগত রিকার্ভে বাংলাদেশ পেয়েছিল দলগত ব্রোঞ্জ। তাই ঢাকার আসরে আবারও সাফল্য চান জার্মান কোচ,‘আপনাদের মনে থাকবে, ২০২১ সালে যখন এখানে এশিয়ান আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপ হয়েছিল, আমরা তিনটি পদক পেয়েছিলাম। কিন্তু সবশেষ ২০২৩ সালে ব্যাংককের আসরে আমরা কিছুই পাইনি। তো আমি চাই, ২০২১ সালে যে সাফল্য এখানে পেয়েছিলাম, সেটার পুনরাবৃত্তি করতে।’
কোচ নূরে আলমও আশাবাদী, ‘সারা বছরই ক্যাম্প চলমান থাকে। কারো কারো ব্যক্তিগত কোনেও কাজ থাকলে ছুটি দেওয়া হয়। যেমন এসএসপি পরীক্ষা বা বিশেষ কোনও প্রয়োজনে আর্চাররা ছুটি পায়। সবাই সারাক্ষণ ক্যাম্পে থাকায় প্রস্তুতি ভালো। নতুন যারা আছে তারাও বিশ্বমানের। আশা করি, তারা ভালো করবে।’
রিপোর্টারের নাম 

























