বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ‘আগামী নভেম্বরের মধ্যেই গণভোটের মাধ্যমে “জুলাই সনদ”-কে আইনি স্বীকৃতি দিতে হবে। একই সঙ্গে, স্বৈরাচার ও তাদের সহযোগীদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে। অন্যকিছুর আগে সব গণহত্যা ও গুমের বিচার শেষ করতে হবে, তারপর ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের কথা ভাবা যাবে। এই জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ছাড়া জনগণ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন মেনে নেবে না।’
বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে গাজীপুর শহরের চান্দনা চৌরাস্তা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে, দলের ওয়ার্ড প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
মামুনুল হক বলেন, ‘ভবিষ্যতের রাজনীতি হবে বাংলাদেশের নিজস্ব রাজনীতি। ওয়াশিংটন, মস্কো, দিল্লি বা পিন্ডির (রাওয়ালপিন্ডি) ঠিক করে দেওয়া কোনো পন্থার রাজনীতি বাংলাদেশে চলবে না। আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, একে অপরের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও থাকতে পারে। কিন্তু সাবধান করে দিচ্ছি, এই প্রতিযোগিতার আড়ালে যদি কেউ সেই পুরোনো, পরাজিত ফ্যাসিবাদকে আবার ক্ষমতায় আনতে চায়, তাহলে আমরা সবাই মিলে তাদের রুখে দেবো। জুলাই আন্দোলন কোনো একটি দলের একার কৃতিত্ব নয়, এই আন্দোলন সফল হয়েছে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি-পেশার সব মানুষের কৃতিত্বে।’
গাজীপুর মহানগর খেলাফত মজলিসের সভাপতি মুফতি ওমর ফারুক আল মাদানির সভাপতিত্বে এই সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন দলের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আব্দুল আজিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ হাদী ও বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমানসহ অন্য নেতারা।
রিপোর্টারের নাম 
























