ঢাকা ০১:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় অব্যাহত শৈত্যপ্রবাহ: কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত জনজীবন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা চুয়াডাঙ্গায় হাড়কাঁপানো শীত ও মৃদু শৈত্যপ্রবাহে স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন। গত কয়েকদিন ধরেই এ জেলায় তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ওঠানামা করছে, যা শীতের তীব্রতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, আজ সোমবার সকাল ৬টায় তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়, যা সকাল ৯টাতেও অপরিবর্তিত ছিল। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯১ থেকে ৯৪ শতাংশ। এর আগে গত শুক্রবার তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি, শনিবার ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি এবং রোববার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। টানা চারদিন ধরে তাপমাত্রা এমন নিম্নমুখী থাকায় জনজীবনে চরম ভোগান্তি নেমে এসেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কুয়াশার চাদরে ঢাকা রয়েছে চারপাশ। বেলা বাড়ার সাথে সাথে সূর্যের দেখা মিললেও উত্তরের হিমেল হাওয়ার কারণে রোদের উষ্ণতা অনুভূত হচ্ছে না। তীব্র এই শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ। ভোরে কাজের সন্ধানে বের হওয়া দিনমজুর ও কৃষিশ্রমিকরা কনকনে ঠান্ডায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ঘন কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা কমে আসায় সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে।

শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে গ্রামাঞ্চল ও শহরের মোড়ে মোড়ে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে অনেককে। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে দরিদ্র মানুষরা নিদারুণ কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বাতাসের আর্দ্রতা বেশি এবং উত্তরের শীতল বাতাসের কারণে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। আগামী কয়েকদিন আবহাওয়া পরিস্থিতি এমন থাকতে পারে বলেও আভাস দেন তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণহত্যা: সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু

চুয়াডাঙ্গায় অব্যাহত শৈত্যপ্রবাহ: কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত জনজীবন

আপডেট সময় : ১১:০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা চুয়াডাঙ্গায় হাড়কাঁপানো শীত ও মৃদু শৈত্যপ্রবাহে স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন। গত কয়েকদিন ধরেই এ জেলায় তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ওঠানামা করছে, যা শীতের তীব্রতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, আজ সোমবার সকাল ৬টায় তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়, যা সকাল ৯টাতেও অপরিবর্তিত ছিল। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯১ থেকে ৯৪ শতাংশ। এর আগে গত শুক্রবার তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি, শনিবার ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি এবং রোববার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। টানা চারদিন ধরে তাপমাত্রা এমন নিম্নমুখী থাকায় জনজীবনে চরম ভোগান্তি নেমে এসেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কুয়াশার চাদরে ঢাকা রয়েছে চারপাশ। বেলা বাড়ার সাথে সাথে সূর্যের দেখা মিললেও উত্তরের হিমেল হাওয়ার কারণে রোদের উষ্ণতা অনুভূত হচ্ছে না। তীব্র এই শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ। ভোরে কাজের সন্ধানে বের হওয়া দিনমজুর ও কৃষিশ্রমিকরা কনকনে ঠান্ডায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ঘন কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা কমে আসায় সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে।

শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে গ্রামাঞ্চল ও শহরের মোড়ে মোড়ে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে অনেককে। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে দরিদ্র মানুষরা নিদারুণ কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বাতাসের আর্দ্রতা বেশি এবং উত্তরের শীতল বাতাসের কারণে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। আগামী কয়েকদিন আবহাওয়া পরিস্থিতি এমন থাকতে পারে বলেও আভাস দেন তিনি।