রবিবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে ভৈরব রেল স্টেশনে বিক্ষোভকারীরা রেলপথ অবরোধ করে এই কর্মসূচি শুরু করেন।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নোয়াখালী থেকে ঢাকাগামী ‘উপকূল এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি ভৈরব স্টেশনে এসে পৌঁছালে অবরোধকারীরা সেটিকে আটকে দেয়। এরপর সাড়ে ১১টার দিকে রেলওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন অবরোধ তুলে নিতে বললে বিক্ষোভকারীরা হঠাৎ ট্রেনটিতে পাথর ছুড়তে শুরু করে।
শেষ পর্যন্ত, দুপুর পৌনে ১২টার দিকে অবরোধকারীরা তাদের অবরোধ তুলে নিলে ‘উপকূল এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি ঢাকার দিকে রওনা হতে পারে।
ভৈরব রেলওয়ে থানার ওসি সাঈদ আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, ‘অবরোধকারীরা প্রথমে ট্রেন থামিয়ে তাদের কর্মসূচি পালন করছিল। কিন্তু পরে কিছু অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক আছে। এই ঘটনায় ট্রেনের কোনো যাত্রী আহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি।’
আন্দোলনকারী বিক্ষোভকারীরা জানান, ২০০৯ সালে ভৈরবকে ৬৫তম জেলা হিসেবে গেজেটভুক্ত করা হয়েছিল। তারা সেই গেজেটের দ্রুত বাস্তবায়ন ও ঘোষণার জোরালো দাবি জানান। একইসাথে তারা হুঁশিয়ারি দেন যে, আগামী মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) ভৈরবের মেঘনা নদীতে নৌপথ অবরোধ করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 






















