কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং সীমান্তে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের জেরে ছোড়া গুলিতে আহত সাত বছর বয়সী শিশুটি এখনো জীবিত রয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতাল থেকে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে শিশুটির চিকিৎসা চলছে।
চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন জানান, রোববার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে শিশুটিকে হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়। তিনি বলেন, শিশুটির মাথায় গুলি লেগেছে। তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এখনো সিটি স্ক্যান করা সম্ভব হয়নি। কিছুটা স্থিতিশীল হলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী চিকিৎসা দেওয়া হবে।
এর আগে রোববার সকালে শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) খোকন চন্দ্র রুদ্র প্রথমে গণমাধ্যমকে জানান, সীমান্তের ওপারে সংঘর্ষের সময় ছোড়া গুলিতে এক বাংলাদেশি শিশু মারা গেছে। তবে পরে তিনি সংশোধিত তথ্য দিয়ে জানান, শিশুটি তখনো জীবিত ছিল।
রিপোর্টারের নাম 

























