ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

নিখোঁজের তিনদিন পর খালপাড়ে পুঁতে রাখা যুবকের লাশ উদ্ধার

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিখোঁজের তিনদিন পর সাপুড়িয়া খালের পাড়ে পুঁতে রাখা অবস্থায় ফেরদৌস মুন্সি (৩৮) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

রোববার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের মধুখালি গ্রামের সাপুড়িয়া খালের পাড় থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ফেরদৌস মুন্সি ওই গ্রামের আব্দুর রহমান মুন্সির ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে অসুস্থ বাবাকে দেখার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন ফেরদৌস মুন্সি। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

রোববার সকালে স্থানীয়রা সাপুড়িয়া খালের চরে নতুন করে মাটি কাটার চিহ্ন দেখতে পেয়ে সন্দেহ করেন। পরে মাটি সরালে পুঁতে রাখা অবস্থায় ফেরদৌস মুন্সির লাশ উদ্ধার হয়। এ সময় তার গলায় লাইলনের রশি দিয়ে ফাঁস দেওয়া এবং তার বাম হাতের বুড়ো আঙুল কাটা ছিলো। তার পরনে ছিলো একটি শর্টপ্যান্ট ও গেঞ্জি।

কলাপাড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সমীর সরকার জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লাইলনের রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে ফেরদৌস মুন্সিকে হত্যা করা হয়েছে। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের ওয়ানডে জয়ে বাংলাদেশের সৈকত, আইসিসি চুক্তিতে নেই বিসিবির বাধা

নিখোঁজের তিনদিন পর খালপাড়ে পুঁতে রাখা যুবকের লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৬:৫৬:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিখোঁজের তিনদিন পর সাপুড়িয়া খালের পাড়ে পুঁতে রাখা অবস্থায় ফেরদৌস মুন্সি (৩৮) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

রোববার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের মধুখালি গ্রামের সাপুড়িয়া খালের পাড় থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ফেরদৌস মুন্সি ওই গ্রামের আব্দুর রহমান মুন্সির ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে অসুস্থ বাবাকে দেখার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন ফেরদৌস মুন্সি। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

রোববার সকালে স্থানীয়রা সাপুড়িয়া খালের চরে নতুন করে মাটি কাটার চিহ্ন দেখতে পেয়ে সন্দেহ করেন। পরে মাটি সরালে পুঁতে রাখা অবস্থায় ফেরদৌস মুন্সির লাশ উদ্ধার হয়। এ সময় তার গলায় লাইলনের রশি দিয়ে ফাঁস দেওয়া এবং তার বাম হাতের বুড়ো আঙুল কাটা ছিলো। তার পরনে ছিলো একটি শর্টপ্যান্ট ও গেঞ্জি।

কলাপাড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সমীর সরকার জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লাইলনের রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে ফেরদৌস মুন্সিকে হত্যা করা হয়েছে। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।