ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

বগুড়া-২: মাহমুদুর রহমান মান্নার প্রার্থিতা বৈধ, বললেন, ‘ষড়যন্ত্র টেকেনি’

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর রোববার বিকেলে নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এই সিদ্ধান্তকে ‘ষড়যন্ত্রের পরাজয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, “আমার প্রার্থিতা বাতিলের পেছনে যে গভীর ষড়যন্ত্র হয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত টেকেনি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, সত্যের জয় হবে এবং এই অশুভ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের মূল উদ্দেশ্য কাউকে নির্বাচন থেকে বাদ দেওয়া নয়, বরং সম্ভাব্য ভুল-ত্রুটি থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ করে দেওয়া। আইন অনুযায়ী, মনোনয়নের কাগজে ত্রুটি থাকলে তাৎক্ষণিক সংশোধন কিংবা নির্দিষ্ট সময় দিয়ে তা ঠিক করার সুযোগ থাকে। এমনকি হলফনামায় ভুল থাকলেও সম্পূরক হলফনামা জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে।”

নিজের নির্বাচনী অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মান্না বলেন, “আমি আগেও বগুড়া থেকে নির্বাচন করেছি এবং এবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। অথচ আমাকে নির্বাচন থেকে দূরে সরাতে যে ধরনের কূটকৌশল অবলম্বন করা হয়েছিল, তা অত্যন্ত অশুভ ইঙ্গিত বহন করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলা প্রশাসন বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠিয়েছিল, নতুবা অযৌক্তিকভাবে আমার মনোনয়ন বাতিল হয়ে যেত।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের ওয়ানডে জয়ে বাংলাদেশের সৈকত, আইসিসি চুক্তিতে নেই বিসিবির বাধা

বগুড়া-২: মাহমুদুর রহমান মান্নার প্রার্থিতা বৈধ, বললেন, ‘ষড়যন্ত্র টেকেনি’

আপডেট সময় : ০৫:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর রোববার বিকেলে নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এই সিদ্ধান্তকে ‘ষড়যন্ত্রের পরাজয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, “আমার প্রার্থিতা বাতিলের পেছনে যে গভীর ষড়যন্ত্র হয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত টেকেনি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, সত্যের জয় হবে এবং এই অশুভ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের মূল উদ্দেশ্য কাউকে নির্বাচন থেকে বাদ দেওয়া নয়, বরং সম্ভাব্য ভুল-ত্রুটি থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ করে দেওয়া। আইন অনুযায়ী, মনোনয়নের কাগজে ত্রুটি থাকলে তাৎক্ষণিক সংশোধন কিংবা নির্দিষ্ট সময় দিয়ে তা ঠিক করার সুযোগ থাকে। এমনকি হলফনামায় ভুল থাকলেও সম্পূরক হলফনামা জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে।”

নিজের নির্বাচনী অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মান্না বলেন, “আমি আগেও বগুড়া থেকে নির্বাচন করেছি এবং এবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। অথচ আমাকে নির্বাচন থেকে দূরে সরাতে যে ধরনের কূটকৌশল অবলম্বন করা হয়েছিল, তা অত্যন্ত অশুভ ইঙ্গিত বহন করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলা প্রশাসন বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠিয়েছিল, নতুবা অযৌক্তিকভাবে আমার মনোনয়ন বাতিল হয়ে যেত।”