দেশের চলমান আর্থিক সংকট এবং আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিকে সামনে রেখে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সময় স্বল্পতা ও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে এই মুহূর্তে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানা গেছে।
তবে, সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামো পর্যালোচনার দায়িত্বে থাকা পে-কমিশনকে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে চূড়ান্ত বেতন কাঠামো ঘোষণা না হলেও, একটি বিস্তারিত ফ্রেমওয়ার্ক প্রস্তুত করে রাখা হবে। এই ফ্রেমওয়ার্কটি নির্বাচিত নতুন সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার পে-কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানের সভাপতিত্বে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। কমিশন সূত্রে জানা যায়, অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। কিন্তু বর্তমান সরকারের হাতে সময় কম থাকায় তা ঘোষণা করা হবে না; বরং পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের কাছে এই সুপারিশমালা হস্তান্তর করা হবে, যাতে তারা ক্ষমতায় এসে দ্রুত তা বাস্তবায়ন করতে পারে।
রাজনৈতিক, আর্থিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও, ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে অন্তর্বর্তী সরকারের জোর প্রস্তুতির কারণে আর্থিক সংকটকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তাই নির্বাচনের আগে নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণার সম্ভাবনা নেই।
তবে, পে-কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর বর্তমান সরকার সেই অনুযায়ী একটি বেতন কাঠামোর সুপারিশমালা চূড়ান্ত করবে। এরপর নির্বাচিত নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর তা কার্যকর করবে। উল্লেখ্য, এই নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা ও বাস্তবায়ন হওয়ার আগপর্যন্ত সরকারি চাকরিজীবীরা প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা প্রাপ্য হচ্ছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























