২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি স্তরের শিক্ষার্থীরা নতুন বই হাতে পেলেও মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য এবারও পূর্ণাঙ্গ বই উৎসব হচ্ছে না। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানিয়েছে, প্রাথমিকে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী প্রায় ৯ কোটি বইয়ের শতভাগ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। তবে মাধ্যমিক ও ইবতেদায়ি স্তরের ২১ কোটি বইয়ের মধ্যে এখনো প্রায় ৬ কোটি বই ছাপা হওয়া বাকি রয়েছে। বিশেষ করে মাধ্যমিকের ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বই মুদ্রণে পুনঃদরপত্র আহ্বানের কারণে এই বিলম্ব ঘটেছে। এনসিটিবির তথ্যমতে, মাধ্যমিকে এ পর্যন্ত মাত্র ৭০ শতাংশ বইয়ের কাজ শেষ হয়েছে।
এনসিটিবি কর্মকর্তারা বইয়ের মান নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানের কথা উল্লেখ করে জানিয়েছেন, নিম্নমানের কাগজের কারণে অনেক প্রেসকে পুনরায় বই ছাপতে বাধ্য করায় সময় কিছুটা বেশি লেগেছে। মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির বইয়ের কাজ শেষ করার আইনি সময়সীমা ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত থাকলেও সংস্থাটি আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে সব বই পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এদিকে, এ বছর কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো বই উৎসবের আয়োজন করা হয়নি এবং শিক্ষা উপদেষ্টা কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনেও যাননি। তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা আজ রাজধানীর দুটি স্কুলে বই বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন।
শিক্ষার্থীদের সাময়িক অসুবিধা দূর করতে এনসিটিবি ইতোমধ্যে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রাক-প্রাথমিক থেকে কারিগরি স্তর পর্যন্ত মোট ৬৪৭টি পাঠ্যপুস্তকের অনলাইন সংস্করণ (পিডিএফ) তাদের ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত করেছে। শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার জানিয়েছেন, মূলত জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে শিক্ষা কার্যক্রম পূর্ণোদ্যমে শুরু হয় এবং তার আগেই সব শিক্ষার্থী মুদ্রিত বই হাতে পাবে। বইয়ের মান ও নির্ভুল পাঠ্যক্রম নিশ্চিত করার স্বার্থেই এবার বাড়তি সময়ের প্রয়োজন হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রিপোর্টারের নাম 

























