দেশব্যাপী শিশুদের হাম ও রুবেলার বিস্তার রোধে আজ রোববার থেকে ১৮টি জেলার মোট ৩০টি উপজেলায় বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের হামের টিকা দেওয়া হবে। আগামী তিন সপ্তাহ ধরে সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে এই টিকা পাওয়া যাবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ দিনে সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রায় ছয় হাজার ৪৭৬ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং দুঃখজনকভাবে ৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, সংক্রমণের ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত ৩০টি উপজেলায় বিশেষজ্ঞ কমিটির পরামর্শে এই জরুরি টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। টিকাদানের পাশাপাশি হামে আক্রান্ত শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলও খাওয়ানো হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন ঢাকার নবাবগঞ্জে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এছাড়া, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজার, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী পাবনা সদর, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ঝালকাঠির নলছিটি এবং স্বাস্থ্য সচিব গাজীপুরে কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন যাতে তারা তাদের পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসেন। তবে, জ্বর বা অসুস্থতায় ভোগা শিশুদের সুস্থ হওয়ার পরেই টিকা দেওয়া হবে।
আজ যে ৩০টি উপজেলায় টিকাদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে – বরগুনা সদর, মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ (বরিশাল), নলছিটি (ঝালকাঠি), চাঁদপুর সদর ও হাইমচর, মহেশখালী ও রামু (কক্সবাজার), নবাবগঞ্জ (ঢাকা), গাজীপুর সদর, জাজিরা (শরীয়তপুর), যশোর সদর, মাদারীপুর সদর, মুন্সীগঞ্জ সদর, লৌহজং ও শ্রীনগর, ময়মনসিংহ সদর, ত্রিশাল ও ফুলপুর, আটপাড়া (নেত্রকোনা), নাটোর সদর, পোরশা (নওগাঁ), চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, শিবগঞ্জ, ভোলাহাট, পাবনা সদর, ঈশ্বরদী, আটঘরিয়া ও বেড়া এবং গোদাগাড়ী (রাজশাহী)।
রিপোর্টারের নাম 



















