ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে তুরস্ক এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। আঙ্কারা মনে করছে, এই যুদ্ধ কেবল একটি প্রতিবেশী দেশের সংকট নয়, বরং এটি তুরস্কের অর্থনীতি, কূটনীতি এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি। এই পরিস্থিতিতে তুরস্কের নীতি কোনো নির্দিষ্ট সামরিক জোটে যোগ দেওয়া নয়, বরং কার্যকর কূটনীতির মাধ্যমে যুদ্ধের বিস্তার রোধ করা।
ন্যাটোর সদস্য হওয়া সত্ত্বেও ইরানের সঙ্গে তুরস্কের দীর্ঘ সীমান্ত এবং গভীর বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। আঙ্কারা স্পষ্টভাবে বুঝতে পারছে যে, ইরানের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বা পতন পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে এক দীর্ঘস্থায়ী বিশৃঙ্খলার দিকে ঠেলে দেবে। এ কারণে তুরস্ক কেবল দর্শক হয়ে বসে না থেকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালনের চেষ্টা করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, তুরস্কের এই অবস্থান কেবল নিরপেক্ষতা নয়, বরং একটি সুচিন্তিত কৌশল। ইতিমধ্যে যুদ্ধের প্রভাব তুরস্কের আকাশসীমা ও ভূখণ্ডে অনুভূত হয়েছে, যা আঙ্কারাকে আরও সতর্ক করে তুলেছে। বিশেষ করে ইরাক ও সিরিয়া সীমান্তে কুর্দি ইস্যু এবং নতুন কোনো রাজনৈতিক মেরুকরণ যাতে তুরস্কের স্বার্থের পরিপন্থী না হয়, সেদিকেই এখন তীক্ষ্ণ নজর রাখছে এরদোয়ান সরকার।
রিপোর্টারের নাম 






















