চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) তৃণমূল পর্যায়ের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং জনমুখী রাজনীতির অভিজ্ঞতা নিয়ে সম্প্রতি বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল বিশেষ অভিজ্ঞতা লাভ করেছে। সফরকালে প্রতিনিধিদলটি চীনের আনহুই প্রদেশের ফ্যাংসিং কমিউনিটিসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে। সেখানে জনগণের সেবায় গড়ে তোলা ৭ লাখ কমিউনিটি সার্ভিস সেন্টারের কার্যক্রম দেখে তারা প্রশংসা করেন।
সফররত প্রতিনিধিদলের সদস্য, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, চীনের কমিউনিস্ট পার্টি শুধু শাসনকাজেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং জনগণের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। ফ্যাংসিং কমিউনিটির মতো প্রায় ৭ লাখ নেবারহুডে বিশেষ সার্ভিস সেন্টার গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে সব বয়সের মানুষ এসে নানা ধরনের সেবা গ্রহণ করেন, কর্মসংস্থান খোঁজেন এবং প্রশাসনিক সুযোগ-সুবিধা পান। এই কেন্দ্রগুলোতে পড়াশোনা, শরীরচর্চা, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং সামাজিক মেলামেশার সুযোগ রয়েছে।
সাঈদ আল নোমান আরও উল্লেখ করেন যে, এই কমিউনিটি সার্ভিস সেন্টারগুলো কর্মসংস্থান ও সহায়তার অন্যতম কেন্দ্র। তিনি মনে করেন, ‘পার্টির প্রতিটি কাজই জনগণের জন্য এবং জনগণের সঙ্গে’—এই দর্শনই চীনের অভাবনীয় সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।
চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ও কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে বিএনপির প্রতিনিধিদল আনহুই প্রদেশের ভাইস গভর্নর এবং পদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বিশেষ নৈশভোজে অংশ নেয়। সেখানে বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্ব এবং অবকাঠামো ও সামাজিক উন্নয়নে চীনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।
রিপোর্টারের নাম 






















