ঢাকা ০৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

রেকর্ড ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেট চাইছে ট্রাম্প প্রশাসন

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে ২০২৭ অর্থবছরের জন্য প্রায় ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বিশাল প্রতিরক্ষা বাজেট প্রস্তাব করেছে হোয়াইট হাউস। এই প্রস্তাবিত বাজেট গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪২ শতাংশ বেশি, যা আধুনিক মার্কিন ইতিহাসের সর্বোচ্চ সামরিক বরাদ্দ হতে যাচ্ছে। ইরান পরিস্থিতির উত্তেজনার মধ্যেই ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা সামনে আনা হলো।

প্রস্তাবিত এই বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো মার্কিন গোলাবারুদের মজুত বাড়ানো, নৌবাহিনীর বহর আরও শক্তিশালী করা এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের বহুল আলোচিত ‘গোল্ডেন ডোম’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণের কাজ শুরু করা। এছাড়া সামরিক বাহিনীর সদস্যদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধিতে এবং নতুন নিয়োগ উৎসাহিত করতে সকল স্তরের সেনাসদস্যদের জন্য ৫ থেকে ৭ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাজেটের মোট বরাদ্দের মধ্যে ৩৫০ বিলিয়ন ডলার একটি বিশেষ আইনের মাধ্যমে পাস করার পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। এর ফলে সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন ছাড়াই কেবল রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের মাধ্যমে এই বিশাল তহবিল অনুমোদন করা সম্ভব হবে। এছাড়া জ্বালানি বিভাগও তাদের পারমাণবিক নিরাপত্তা প্রশাসনের জন্য অতিরিক্ত ৩.৫ বিলিয়ন ডলার চেয়েছে, যা নতুন পারমাণবিক ওয়ারহেড তৈরি ও নৌবাহিনীর প্রযুক্তি আধুনিকায়নে ব্যয় করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফতুল্লায় নির্মাণাধীন ভবনের পানির ট্যাংকি পরিষ্কার করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের প্রাণহানি

রেকর্ড ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেট চাইছে ট্রাম্প প্রশাসন

আপডেট সময় : ১১:০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে ২০২৭ অর্থবছরের জন্য প্রায় ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বিশাল প্রতিরক্ষা বাজেট প্রস্তাব করেছে হোয়াইট হাউস। এই প্রস্তাবিত বাজেট গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪২ শতাংশ বেশি, যা আধুনিক মার্কিন ইতিহাসের সর্বোচ্চ সামরিক বরাদ্দ হতে যাচ্ছে। ইরান পরিস্থিতির উত্তেজনার মধ্যেই ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা সামনে আনা হলো।

প্রস্তাবিত এই বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো মার্কিন গোলাবারুদের মজুত বাড়ানো, নৌবাহিনীর বহর আরও শক্তিশালী করা এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের বহুল আলোচিত ‘গোল্ডেন ডোম’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণের কাজ শুরু করা। এছাড়া সামরিক বাহিনীর সদস্যদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধিতে এবং নতুন নিয়োগ উৎসাহিত করতে সকল স্তরের সেনাসদস্যদের জন্য ৫ থেকে ৭ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাজেটের মোট বরাদ্দের মধ্যে ৩৫০ বিলিয়ন ডলার একটি বিশেষ আইনের মাধ্যমে পাস করার পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। এর ফলে সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন ছাড়াই কেবল রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের মাধ্যমে এই বিশাল তহবিল অনুমোদন করা সম্ভব হবে। এছাড়া জ্বালানি বিভাগও তাদের পারমাণবিক নিরাপত্তা প্রশাসনের জন্য অতিরিক্ত ৩.৫ বিলিয়ন ডলার চেয়েছে, যা নতুন পারমাণবিক ওয়ারহেড তৈরি ও নৌবাহিনীর প্রযুক্তি আধুনিকায়নে ব্যয় করা হবে।