ঢাকা ০৯:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে বৈঠক আয়োজনে ইসলামাবাদের মাধ্যমে কূটনৈতিক তৎপরতা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তুরস্ক, মিশর এবং পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সরাসরি বৈঠক আয়োজনের চেষ্টা চালাচ্ছে। এই বৈঠক আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

হোয়াইট হাউসের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে যে, পাকিস্তানের মাধ্যমে ১৫ দফা সম্বলিত একটি প্রস্তাবনা ইরানের কাছে পাঠানো হয়েছে। মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সরাসরি মুখোমুখি বৈঠকের ব্যবস্থা করতে দ্রুত কাজ করছে। এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক প্রস্তুতিও বাড়াচ্ছে। পূর্বে প্রায় ২,৫০০ সেনা সদস্য সম্বলিত ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর খবর পাওয়া গিয়েছিল। সর্বশেষ, আরও প্রায় ১,৫০০ সেনা সম্বলিত ৮২তম এয়ারবোর্ন ইউনিট মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে, যারা বিশেষভাবে আক্রমণাত্মক অভিযানের জন্য প্রশিক্ষিত।

অন্যদিকে, ইরানি আলোচকরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত দুই প্রতিনিধি, জ্যারেড কুশনার এবং স্টিভ উইটকফের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহ প্রকাশ করেনি বলে জানা গেছে। তারা বরং যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে আলোচনা করতে আগ্রহী। এই সময়ে, সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এমন মন্তব্য প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “তিনি একজন যোদ্ধা। তিনি আমাদের সঙ্গে লড়ছেন।”

সব মিলিয়ে, একদিকে যেমন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে, অন্যদিকে সামরিক তৎপরতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এই কূটনৈতিক ও সামরিক চালের ফলাফল কী হয়, তা দেখার বিষয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্চারি ফেডারেশনে আর্থিক স্বচ্ছতা ফেরাতে গিয়ে কোষাধ্যক্ষ অপসারিত

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে বৈঠক আয়োজনে ইসলামাবাদের মাধ্যমে কূটনৈতিক তৎপরতা

আপডেট সময় : ১১:১৪:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তুরস্ক, মিশর এবং পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সরাসরি বৈঠক আয়োজনের চেষ্টা চালাচ্ছে। এই বৈঠক আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

হোয়াইট হাউসের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে যে, পাকিস্তানের মাধ্যমে ১৫ দফা সম্বলিত একটি প্রস্তাবনা ইরানের কাছে পাঠানো হয়েছে। মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সরাসরি মুখোমুখি বৈঠকের ব্যবস্থা করতে দ্রুত কাজ করছে। এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক প্রস্তুতিও বাড়াচ্ছে। পূর্বে প্রায় ২,৫০০ সেনা সদস্য সম্বলিত ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর খবর পাওয়া গিয়েছিল। সর্বশেষ, আরও প্রায় ১,৫০০ সেনা সম্বলিত ৮২তম এয়ারবোর্ন ইউনিট মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে, যারা বিশেষভাবে আক্রমণাত্মক অভিযানের জন্য প্রশিক্ষিত।

অন্যদিকে, ইরানি আলোচকরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত দুই প্রতিনিধি, জ্যারেড কুশনার এবং স্টিভ উইটকফের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহ প্রকাশ করেনি বলে জানা গেছে। তারা বরং যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে আলোচনা করতে আগ্রহী। এই সময়ে, সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এমন মন্তব্য প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “তিনি একজন যোদ্ধা। তিনি আমাদের সঙ্গে লড়ছেন।”

সব মিলিয়ে, একদিকে যেমন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে, অন্যদিকে সামরিক তৎপরতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এই কূটনৈতিক ও সামরিক চালের ফলাফল কী হয়, তা দেখার বিষয়।