ঢাকা ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

জাতীয় ফুটবলাররা এবার সরকারি বেতন কাঠামোর আওতায়, বড় স্টেডিয়াম পাচ্ছে বাফুফে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৪:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের দায়িত্ব গ্রহণের পর ক্রীড়াঙ্গনে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের বেতন কাঠামোর আওতায় আনার গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। এবার থেকে জাতীয় দলের হয়ে প্রতিনিধিত্বকারী দেওয়ান হামজা চৌধুরী, শমিত সোম, জামাল ভূঁইয়াসহ সকল খেলোয়াড় মাসিক ভিত্তিতে সরকারি চুক্তির আওতায় আসবেন। শুধু তাই নয়, নারী ফুটবলারদের ধারাবাহিক সাফল্যের পাশাপাশি পুরুষ ফুটবলারদেরও প্রণোদনা ও উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, “আমরা পুরুষ ও নারী উভয় দলের খেলোয়াড়দের জন্য একটি স্থায়ী বেতন কাঠামো নিশ্চিত করতে চাই। এর ফলে তারা তাদের খেলাধুলার প্রতি আরও বেশি মনোযোগী হতে পারবেন এবং জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য তারা আরও উৎসাহিত হবেন।” তিনি আরও জানান, মেয়েদের ফুটবলারদের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং এই ধারা অব্যাহত রাখতে তাদের আরও বেশি সহায়তা করা হবে।

খেলোয়াড়দের আবাসন ও অবকাঠামোগত সংকট নিরসনের লক্ষ্যে সরকার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেডিয়াম বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কাছে হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কমলাপুর স্টেডিয়াম, সিলেট স্টেডিয়াম এবং চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম—এই তিনটি ভেন্যু আনুষ্ঠানিক চুক্তির মাধ্যমে বাফুফের কাছে বরাদ্দ দেওয়া হবে। ফিফার অনুদানের আওতায় মাঠ ব্যবহারের জন্য বাফুফের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল এবং সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে প্রতিমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন।

পাশাপাশি, বয়সভিত্তিক ফুটবলকে সুসংহত করার লক্ষ্যে একটি বার্ষিক ক্যালেন্ডার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট পরিচালনার জন্য ফুটবল ফেডারেশনের কাছে একটি বিস্তারিত ক্যালেন্ডার চেয়েছেন। তিনি নিজেও ফুটবলকে এগিয়ে নিতে একটি বার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নের কথা জানিয়েছেন। বিশেষ করে, জেলা পর্যায়ে ফুটবল লিগ আয়োজনের উপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা চাই প্রত্যেক জেলায় নিয়মিত লিগ অনুষ্ঠিত হোক। যদিও গত বছর থেকে আন্তঃজেলা ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে, আমরা এটিকে স্থায়ী রূপ দিতে কাজ করব।” এই পদক্ষেপগুলো বাংলাদেশের ফুটবল উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনসেবা স্থবির বরিশালে: নির্বাচিত প্রতিনিধি শূন্যতায় চরম দুর্ভোগে নগরবাসী

জাতীয় ফুটবলাররা এবার সরকারি বেতন কাঠামোর আওতায়, বড় স্টেডিয়াম পাচ্ছে বাফুফে

আপডেট সময় : ১০:১৪:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের দায়িত্ব গ্রহণের পর ক্রীড়াঙ্গনে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের বেতন কাঠামোর আওতায় আনার গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। এবার থেকে জাতীয় দলের হয়ে প্রতিনিধিত্বকারী দেওয়ান হামজা চৌধুরী, শমিত সোম, জামাল ভূঁইয়াসহ সকল খেলোয়াড় মাসিক ভিত্তিতে সরকারি চুক্তির আওতায় আসবেন। শুধু তাই নয়, নারী ফুটবলারদের ধারাবাহিক সাফল্যের পাশাপাশি পুরুষ ফুটবলারদেরও প্রণোদনা ও উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, “আমরা পুরুষ ও নারী উভয় দলের খেলোয়াড়দের জন্য একটি স্থায়ী বেতন কাঠামো নিশ্চিত করতে চাই। এর ফলে তারা তাদের খেলাধুলার প্রতি আরও বেশি মনোযোগী হতে পারবেন এবং জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য তারা আরও উৎসাহিত হবেন।” তিনি আরও জানান, মেয়েদের ফুটবলারদের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং এই ধারা অব্যাহত রাখতে তাদের আরও বেশি সহায়তা করা হবে।

খেলোয়াড়দের আবাসন ও অবকাঠামোগত সংকট নিরসনের লক্ষ্যে সরকার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেডিয়াম বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কাছে হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কমলাপুর স্টেডিয়াম, সিলেট স্টেডিয়াম এবং চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম—এই তিনটি ভেন্যু আনুষ্ঠানিক চুক্তির মাধ্যমে বাফুফের কাছে বরাদ্দ দেওয়া হবে। ফিফার অনুদানের আওতায় মাঠ ব্যবহারের জন্য বাফুফের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল এবং সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে প্রতিমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন।

পাশাপাশি, বয়সভিত্তিক ফুটবলকে সুসংহত করার লক্ষ্যে একটি বার্ষিক ক্যালেন্ডার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট পরিচালনার জন্য ফুটবল ফেডারেশনের কাছে একটি বিস্তারিত ক্যালেন্ডার চেয়েছেন। তিনি নিজেও ফুটবলকে এগিয়ে নিতে একটি বার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নের কথা জানিয়েছেন। বিশেষ করে, জেলা পর্যায়ে ফুটবল লিগ আয়োজনের উপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা চাই প্রত্যেক জেলায় নিয়মিত লিগ অনুষ্ঠিত হোক। যদিও গত বছর থেকে আন্তঃজেলা ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে, আমরা এটিকে স্থায়ী রূপ দিতে কাজ করব।” এই পদক্ষেপগুলো বাংলাদেশের ফুটবল উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।