ঢাকা ১০:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

ফাঁস হলো ইরান-রাশিয়ার গোপন ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি: আকাশ প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করতে তেহরানের ৫৯ কোটি ডলারের সমরাস্ত্র কেনা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

নিজেদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে রাশিয়ার সঙ্গে প্রায় ৫৯ কোটি ডলার মূল্যের একটি গোপন ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি করেছে ইরান। ফাঁস হওয়া রুশ নথিপত্রের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো এই চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশ করেছে। এসব নথিতে দাবি করা হয়েছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে মস্কোতে ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, রাশিয়া আগামী তিন বছরের মধ্যে ইরানকে ৫০০টি ‘ভারবা ম্যান-পোর্টেবল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম’ এবং ২,৫০০টি ৯এম৩৩৬-টাইপ ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করবে। এই বিপুল পরিমাণ সমরাস্ত্র সরবরাহের প্রক্রিয়াটি তিনটি ধাপে সম্পন্ন করার কথা রয়েছে, যা ২০২৭ সাল থেকে শুরু হয়ে ২০২৯ সাল পর্যন্ত চলবে। এই চুক্তির মাধ্যমে ইরানের সামরিক সক্ষমতা বিশেষ করে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এআই প্রযুক্তিতে তৈরি ভুয়া স্ক্রিনশট ঘিরে ছাত্রদল-শিবির সংঘাত: নেপথ্যে লীগের উসকানির প্রমাণ পেয়েছে ‘বাংলা ফ্যাক্ট’

ফাঁস হলো ইরান-রাশিয়ার গোপন ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি: আকাশ প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করতে তেহরানের ৫৯ কোটি ডলারের সমরাস্ত্র কেনা

আপডেট সময় : ০২:৫১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজেদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে রাশিয়ার সঙ্গে প্রায় ৫৯ কোটি ডলার মূল্যের একটি গোপন ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি করেছে ইরান। ফাঁস হওয়া রুশ নথিপত্রের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো এই চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশ করেছে। এসব নথিতে দাবি করা হয়েছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে মস্কোতে ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, রাশিয়া আগামী তিন বছরের মধ্যে ইরানকে ৫০০টি ‘ভারবা ম্যান-পোর্টেবল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম’ এবং ২,৫০০টি ৯এম৩৩৬-টাইপ ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করবে। এই বিপুল পরিমাণ সমরাস্ত্র সরবরাহের প্রক্রিয়াটি তিনটি ধাপে সম্পন্ন করার কথা রয়েছে, যা ২০২৭ সাল থেকে শুরু হয়ে ২০২৯ সাল পর্যন্ত চলবে। এই চুক্তির মাধ্যমে ইরানের সামরিক সক্ষমতা বিশেষ করে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।