ঢাকা ০৪:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে বিতর্ক: শপথ নিয়েও মন্ত্রিসভা বর্জন এনসিপির, আপত্তি বিএনপিরও

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) নবনির্বাচিত ছয় সংসদ সদস্য মঙ্গলবার দুপুরে শপথ গ্রহণ করলেও একই দিনে বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া গণভোটের রায় অনুযায়ী হয়নি, এমন অভিযোগ তুলেই তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে। একই ইস্যুতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ থেকে বিরত থেকেছে বিএনপিও, যা নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের আগে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে এনসিপির ছয় নেতা শপথ গ্রহণ করেন। এরপরই তারা মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান বর্জনের সিদ্ধান্তের কথা জানান। এনসিপির সদস্য সচিব এবং রংপুর-৪ আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আখতার হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, গণভোটের রায় না মেনে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেওয়া হয়নি, তাই বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রিপরিষদের শপথ অনুষ্ঠানে তারা উপস্থিত থাকবেন না। এর মধ্য দিয়ে এনসিপি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করল যে, তারা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের বর্তমান প্রক্রিয়াকে অনুমোদন করছেন না।

এর আগে এনসিপির মতোই জামায়াতের সংসদ সদস্যরাও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেন। তবে আজকের দিনে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি শুধু বিএনপির সংসদ সদস্যরা।

সংসদ ভবনে বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান শুরুর আগে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ দলীয় এমপিদের উদ্দেশে তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, তারা আজ সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নিচ্ছেন না। সাদা ও নীল রঙের দুটি ফরম হাতে নিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হইনি এবং সংবিধানে এখনো এটি ধারণ করা হয়নি। গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হলে সেটা সংবিধানে আগে ধারণ করতে হবে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যকে কে শপথ নেওয়াবেন সেটার বিধান করতে হবে।” বিএনপির এই অবস্থান সংবিধান সংস্কার পরিষদের গঠন ও কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পোরশা উপজেলা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি রাশেদ, সম্পাদক শহিদুল

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে বিতর্ক: শপথ নিয়েও মন্ত্রিসভা বর্জন এনসিপির, আপত্তি বিএনপিরও

আপডেট সময় : ০৩:২০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) নবনির্বাচিত ছয় সংসদ সদস্য মঙ্গলবার দুপুরে শপথ গ্রহণ করলেও একই দিনে বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া গণভোটের রায় অনুযায়ী হয়নি, এমন অভিযোগ তুলেই তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে। একই ইস্যুতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ থেকে বিরত থেকেছে বিএনপিও, যা নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের আগে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে এনসিপির ছয় নেতা শপথ গ্রহণ করেন। এরপরই তারা মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান বর্জনের সিদ্ধান্তের কথা জানান। এনসিপির সদস্য সচিব এবং রংপুর-৪ আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আখতার হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, গণভোটের রায় না মেনে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেওয়া হয়নি, তাই বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রিপরিষদের শপথ অনুষ্ঠানে তারা উপস্থিত থাকবেন না। এর মধ্য দিয়ে এনসিপি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করল যে, তারা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের বর্তমান প্রক্রিয়াকে অনুমোদন করছেন না।

এর আগে এনসিপির মতোই জামায়াতের সংসদ সদস্যরাও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেন। তবে আজকের দিনে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি শুধু বিএনপির সংসদ সদস্যরা।

সংসদ ভবনে বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান শুরুর আগে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ দলীয় এমপিদের উদ্দেশে তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, তারা আজ সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নিচ্ছেন না। সাদা ও নীল রঙের দুটি ফরম হাতে নিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হইনি এবং সংবিধানে এখনো এটি ধারণ করা হয়নি। গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হলে সেটা সংবিধানে আগে ধারণ করতে হবে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যকে কে শপথ নেওয়াবেন সেটার বিধান করতে হবে।” বিএনপির এই অবস্থান সংবিধান সংস্কার পরিষদের গঠন ও কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।