ঢাকা ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

নতুন বিতর্কে লন্ডনের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি আপসানা বেগম

লন্ডনের বাংলাদেশি অধ্যুষিত পপলার–অ্যান্ড–লাইমহাউজ এলাকার এমপি আপসানা বেগম আবারও নতুন বিতর্কের জড়িয়ে পড়েছেন। বছরে প্রচুর আয় থাকা সত্ত্বেও তিনি এখনও সরকারি কাউন্সিলের ঘরে থাকেন— এমন অভিযোগ ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এতে স্থানীয় রাজনীতি ও বাংলাদেশি কমিউনিটিতে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী একজন অভিযোগ করেন, এলাকার হাজারো মানুষ এখনও সরকারি বাসস্থানের জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন। গৃহহীনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ একজন উচ্চ আয়ের জনপ্রতিনিধি দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দ ঘর ব্যবহার করছেন।

অবশ্য তার সমর্থকরা বলছেন, তিনি পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হিসেবে মুখ খোলার মতো সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন। তার চলমান সংগ্রামকে (এর মধ্যে লেবার হুইপ থেকে পূর্বের সাময়িক বরখাস্ত অন্তর্ভুক্ত) সংখ্যালঘু নারী এমপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে দেখছেন তারা।

সাধারণ মানুষের মতো সরকারি সুবিধা নেওয়ায় আপসানা বেগমের কোনও ভুল নেই বলেও মস্তব্য করেছেন তারা।

তবে সমালোচকরা বলছেন, উচ্চ আয়ের ব্যক্তি হয়েও দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দ বাসায় থাকা অনৈতিক। তারা তার অতীত আবাসন জালিয়াতিকে (জুড়ি দ্বারা মুক্তি পেয়েছিলেন) বড় করে দেখছেন। 

আপসানা বেগম বেড়ে উঠেছেন টাওয়ার হ্যামলেটসে। তার প্রয়াত বাবা এলাকাটির সাবেক জনপ্রতিনিধি ছিলেন। চলতি বছর পারিবারিক সহিংসতা নিয়ে সংসদে আবেগঘন বক্তৃতা দিয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। সমাজে নির্যাতিত নারীদের পক্ষে তার অবস্থান প্রশংসিত হয়।

আবাসনসংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে তার মন্তব্য জানতে প্রতিবেদক ফোন ও বার্তা পাঠালেও কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এলপিজি আমদানিতে বিশেষ ঋণসুবিধা: ২৭০ দিন পর্যন্ত বাকিতে আনার সুযোগ

নতুন বিতর্কে লন্ডনের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি আপসানা বেগম

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

লন্ডনের বাংলাদেশি অধ্যুষিত পপলার–অ্যান্ড–লাইমহাউজ এলাকার এমপি আপসানা বেগম আবারও নতুন বিতর্কের জড়িয়ে পড়েছেন। বছরে প্রচুর আয় থাকা সত্ত্বেও তিনি এখনও সরকারি কাউন্সিলের ঘরে থাকেন— এমন অভিযোগ ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এতে স্থানীয় রাজনীতি ও বাংলাদেশি কমিউনিটিতে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী একজন অভিযোগ করেন, এলাকার হাজারো মানুষ এখনও সরকারি বাসস্থানের জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন। গৃহহীনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ একজন উচ্চ আয়ের জনপ্রতিনিধি দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দ ঘর ব্যবহার করছেন।

অবশ্য তার সমর্থকরা বলছেন, তিনি পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হিসেবে মুখ খোলার মতো সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন। তার চলমান সংগ্রামকে (এর মধ্যে লেবার হুইপ থেকে পূর্বের সাময়িক বরখাস্ত অন্তর্ভুক্ত) সংখ্যালঘু নারী এমপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে দেখছেন তারা।

সাধারণ মানুষের মতো সরকারি সুবিধা নেওয়ায় আপসানা বেগমের কোনও ভুল নেই বলেও মস্তব্য করেছেন তারা।

তবে সমালোচকরা বলছেন, উচ্চ আয়ের ব্যক্তি হয়েও দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দ বাসায় থাকা অনৈতিক। তারা তার অতীত আবাসন জালিয়াতিকে (জুড়ি দ্বারা মুক্তি পেয়েছিলেন) বড় করে দেখছেন। 

আপসানা বেগম বেড়ে উঠেছেন টাওয়ার হ্যামলেটসে। তার প্রয়াত বাবা এলাকাটির সাবেক জনপ্রতিনিধি ছিলেন। চলতি বছর পারিবারিক সহিংসতা নিয়ে সংসদে আবেগঘন বক্তৃতা দিয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। সমাজে নির্যাতিত নারীদের পক্ষে তার অবস্থান প্রশংসিত হয়।

আবাসনসংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে তার মন্তব্য জানতে প্রতিবেদক ফোন ও বার্তা পাঠালেও কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি।