ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আল্লাহর রহমত ও মাগফেরাত লাভের অনন্য সুযোগকে কাজে লাগানোর আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র শবে বরাতকে মহান আল্লাহর রহমত ও মাগফেরাত লাভের এক অসাধারণ সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করে দেশ ও জাতির কল্যাণে প্রার্থনা এবং মানব কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এক বিশেষ বাণীতে পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে তিনি এই গুরুত্বপপূর্ণ বার্তা প্রদান করেন।

আগামীকাল মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে সারাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হবে পবিত্র শবে বরাত। হিজরি সনের শাবান মাসের ১৪ ও ১৫ তারিখের মধ্যবর্তী এই রাতকে বিশ্বের মুসলমানরা মহিমান্বিত রজনী হিসেবে পালন করে থাকেন। এই উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের মুসলিম জনগোষ্ঠীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন।

বাণীতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস উল্লেখ করেন যে, পবিত্র শবে বরাত মানুষের জীবনে রহমত, ক্ষমা এবং আত্মিক পরিশুদ্ধি অর্জনের এক অনন্য সুযোগ তৈরি করে দেয়। তিনি হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, এই রাতে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের বিশেষভাবে ক্ষমা প্রদর্শন করেন। তাই মুসলিম বিশ্বাস অনুযায়ী এই রাতটি অত্যন্ত সৌভাগ্যময় এবং গুরুত্ববহ। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মহিমান্বিত এই রাতে ইবাদত-বন্দেগি, দান-সদকা ও জিকিরের মাধ্যমে আমরা মহান সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য ও ক্ষমা লাভ করতে পারি।

তিনি আরও বলেন, আত্মসমালোচনা ও তওবার মাধ্যমে নিজেদের জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করার এটিই শ্রেষ্ঠ সময়। গুনাহ থেকে মুক্ত হয়ে পরিশুদ্ধ হওয়ার প্রচেষ্টার মাধ্যমে মহান আল্লাহর অসীম অনুগ্রহ, বরকত ও মাগফেরাত অর্জন সম্ভব। প্রধান উপদেষ্টা দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন, আমরা পবিত্র শবে বরাতকে আল্লাহর রহমত লাভের সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করে দেশ ও জাতির মঙ্গলের জন্য দোয়া করি এবং ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবন থেকে সব ধরনের অন্যায়, অবিচার, অনাচার ও কুসংস্কার পরিহার করি।

ইসলামের অনুপম সৌন্দর্য ও শান্তির আদর্শে ব্যক্তি, সমাজ এবং জাতীয় জীবনকে আলোকিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রফেসর ইউনূস। বাণীর শেষাংশে তিনি দোয়া করেন যে, সর্বশক্তিমান আল্লাহ যেন আমাদের সকলকে ক্ষমা করেন এবং যেকোনো বিপদ-আপদ থেকে দেশ ও জাতিকে হেফাজত করেন। আমিন।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদে সংস্কার না হলে রাজপথে তীব্র আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের

আল্লাহর রহমত ও মাগফেরাত লাভের অনন্য সুযোগকে কাজে লাগানোর আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

আপডেট সময় : ০১:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পবিত্র শবে বরাতকে মহান আল্লাহর রহমত ও মাগফেরাত লাভের এক অসাধারণ সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করে দেশ ও জাতির কল্যাণে প্রার্থনা এবং মানব কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এক বিশেষ বাণীতে পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে তিনি এই গুরুত্বপপূর্ণ বার্তা প্রদান করেন।

আগামীকাল মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে সারাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হবে পবিত্র শবে বরাত। হিজরি সনের শাবান মাসের ১৪ ও ১৫ তারিখের মধ্যবর্তী এই রাতকে বিশ্বের মুসলমানরা মহিমান্বিত রজনী হিসেবে পালন করে থাকেন। এই উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের মুসলিম জনগোষ্ঠীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন।

বাণীতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস উল্লেখ করেন যে, পবিত্র শবে বরাত মানুষের জীবনে রহমত, ক্ষমা এবং আত্মিক পরিশুদ্ধি অর্জনের এক অনন্য সুযোগ তৈরি করে দেয়। তিনি হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, এই রাতে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের বিশেষভাবে ক্ষমা প্রদর্শন করেন। তাই মুসলিম বিশ্বাস অনুযায়ী এই রাতটি অত্যন্ত সৌভাগ্যময় এবং গুরুত্ববহ। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মহিমান্বিত এই রাতে ইবাদত-বন্দেগি, দান-সদকা ও জিকিরের মাধ্যমে আমরা মহান সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য ও ক্ষমা লাভ করতে পারি।

তিনি আরও বলেন, আত্মসমালোচনা ও তওবার মাধ্যমে নিজেদের জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করার এটিই শ্রেষ্ঠ সময়। গুনাহ থেকে মুক্ত হয়ে পরিশুদ্ধ হওয়ার প্রচেষ্টার মাধ্যমে মহান আল্লাহর অসীম অনুগ্রহ, বরকত ও মাগফেরাত অর্জন সম্ভব। প্রধান উপদেষ্টা দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন, আমরা পবিত্র শবে বরাতকে আল্লাহর রহমত লাভের সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করে দেশ ও জাতির মঙ্গলের জন্য দোয়া করি এবং ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবন থেকে সব ধরনের অন্যায়, অবিচার, অনাচার ও কুসংস্কার পরিহার করি।

ইসলামের অনুপম সৌন্দর্য ও শান্তির আদর্শে ব্যক্তি, সমাজ এবং জাতীয় জীবনকে আলোকিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রফেসর ইউনূস। বাণীর শেষাংশে তিনি দোয়া করেন যে, সর্বশক্তিমান আল্লাহ যেন আমাদের সকলকে ক্ষমা করেন এবং যেকোনো বিপদ-আপদ থেকে দেশ ও জাতিকে হেফাজত করেন। আমিন।