ঢাকা ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

গণভোটে প্রচারণায় সরকারি কর্মচারীদের নিষেধাজ্ঞা ইসির

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে কোনো ধরনের প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না সরকারি চাকরিজীবীরা। নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি করে জানিয়েছে, এমন কার্যক্রম গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে এবং এটি আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

বৃহস্পতিবার ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত একটি চিঠি সব রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠির অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরেও পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোটের বিষয়ে জনগণকে অবহিত ও সচেতন করতে পারবেন। তবে তারা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য জনসাধারণকে কোনোভাবেই আহ্বান জানাতে পারবেন না।

ইসি আরও জানিয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের এ ধরনের কার্যক্রম গণভোটের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে এবং ফলাফলকে প্রভাবিত করার শামিল। তাই এ ধরনের কার্যকলাপ উল্লিখিত আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই বিধান কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও নির্দেশ দিয়েছে সাংবিধানিক সংস্থাটি।

উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা গণভোটকে সামনে রেখে ব্যাপক প্রচারণায় ব্যস্ত রয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের ৩ ধাপ অবনতি: ১৮০ দেশের মধ্যে ১৫২তম অবস্থান

গণভোটে প্রচারণায় সরকারি কর্মচারীদের নিষেধাজ্ঞা ইসির

আপডেট সময় : ০৯:১২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে কোনো ধরনের প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না সরকারি চাকরিজীবীরা। নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি করে জানিয়েছে, এমন কার্যক্রম গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে এবং এটি আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

বৃহস্পতিবার ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত একটি চিঠি সব রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠির অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরেও পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোটের বিষয়ে জনগণকে অবহিত ও সচেতন করতে পারবেন। তবে তারা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য জনসাধারণকে কোনোভাবেই আহ্বান জানাতে পারবেন না।

ইসি আরও জানিয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের এ ধরনের কার্যক্রম গণভোটের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে এবং ফলাফলকে প্রভাবিত করার শামিল। তাই এ ধরনের কার্যকলাপ উল্লিখিত আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই বিধান কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও নির্দেশ দিয়েছে সাংবিধানিক সংস্থাটি।

উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা গণভোটকে সামনে রেখে ব্যাপক প্রচারণায় ব্যস্ত রয়েছেন।