আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামা নেত্রীদের বাগযুদ্ধে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এবার ধানের শীষ প্রতীকের মূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে সরাসরি চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলেছেন বিদ্রোহী প্রার্থী রিটা। এ নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বিদ্রোহী প্রার্থী রিটা তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থীর অতীত কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ধানের শীষের প্রতীক পাওয়া ওই প্রার্থী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নানা ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং বিশেষ করে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এমন বিতর্কিত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়ায় দলের ভাবমূর্তি সংকটে পড়ছে বলে তিনি দাবি করেন।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে রিটা বলেন, “যিনি নিজেই চাঁদাবাজির মতো অপরাধের সঙ্গে যুক্ত, তিনি কখনোই সাধারণ মানুষের সেবক হতে পারেন না। এলাকার মানুষ এখন সচেতন, তারা পরিবর্তন চায় এবং ব্যালটের মাধ্যমেই যোগ্য প্রার্থীকে বেছে নেবে।” বিদ্রোহী প্রার্থীর এমন কঠোর অবস্থানের ফলে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে মেরুকরণ শুরু হয়েছে।
এদিকে, নিজের বিরুদ্ধে আনা এমন অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী। তার দাবি, নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় আঁচ করতে পেরে বিদ্রোহী প্রার্থী এখন ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন। দলের মূল ভোট ব্যাংককে বিভ্রান্ত করতেই পরিকল্পিতভাবে এমন মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, একই আদর্শের দুই প্রার্থীর মধ্যে এমন কাদা ছোড়াছুড়ি সাধারণ ভোটারদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। শেষ পর্যন্ত এই অভ্যন্তরীণ কোন্দল ভোটের সমীকরণে কী ধরনের পরিবর্তন আনে, এখন সেটিই দেখার বিষয়। এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
রিপোর্টারের নাম 
























