ঢাকা ১০:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

নারী প্রার্থীদের গণসংযোগে স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া, নির্বাচনী মাঠে নতুন আশার আলো

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নির্বাচনী আসনগুলোতে দল-মত নির্বিশেষে মনোনয়নপ্রাপ্ত নারী প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। প্রচার-প্রচারণায় নেমে তারা সর্বস্তরের মানুষের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া ও উষ্ণ ভালোবাসা পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন একাধিক নারী প্রার্থী। তাদের এই সক্রিয় অংশগ্রহণ নির্বাচনী রাজনীতিতে এক নতুন ধারার সূচনা করেছে এবং ভোটারদের মাঝেও এক নতুন প্রত্যাশা জাগিয়েছে।

ফরিদপুর-২ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন শামা ওবায়েদ। তাঁর বাবা, প্রয়াত রাজনীতিক এবং সাবেক মন্ত্রী, এস. এম. ওবায়দুর রহমানের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বহন করে তিনি রাজনীতিতে এসেছেন। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা শামা ওবায়েদ বর্তমানে তাঁর নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছেন। বাবার গণতান্ত্রিক আদর্শ ও মানবতাবোধ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি রাজনীতিতে এসেছেন এবং মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চান। শামা ওবায়েদ বলেন, “আমার বাবার জীবন ছিল মানুষের জন্য নিবেদিত। আমি তাঁর রেখে যাওয়া অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে চাই এবং ফরিদপুরকে একটি মডেল জেলা হিসেবে গড়ে তোলাই আমার প্রধান লক্ষ্য।” তিনি আরও জানান, “জনগণের সাথে সবসময় আছি এবং থাকব। তাদের চাহিদা ও প্রত্যাশা পূরণে আমি নিরলসভাবে কাজ করে যাব।”

এদিকে, ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে শাপলা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ। ধামরাই উপজেলার চৌহাট ইউনিয়নের পাড়াগ্রামের এই বাসিন্দা স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে একজন নতুন মুখ হলেও তাঁর শিক্ষিত, ভদ্র ও কর্মঠ ইমেজ ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। অনেকেই মনে করছেন, তিনি ধামরাইয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক ধারা সৃষ্টি করতে সক্ষম হবেন। এনসিপি জানিয়েছে, তরুণ ও যোগ্য নেতৃত্বকে সামনে এনে রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনাই তাদের লক্ষ্য, আর তারই অংশ হিসেবে নাবিলা তাসনিদকে এই আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বিতা সম্পর্কে বলেন, “আমি কোনো পেশাদার রাজনীতিবিদ নই, আমি এই এলাকারই মেয়ে। আমার স্পষ্ট বক্তব্য হলো, ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনকে অবহেলার দিন শেষ। আমরা সকলে সমান কর প্রদান করি, তাই আমাদের অধিকারও সমান হওয়া উচিত। এবার আমরা আমাদের ন্যায্য পাওনা বুঝে নেব।” নির্বাচিত হলে এলাকার মানুষের জন্য তাঁর পরিকল্পনার কথা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, “যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকারত্ব দূর করা, কারিগরি শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া, আইটি পার্ক স্থাপন, হাই-স্পিড ইন্টারনেট সেবা চালু করা এবং নারী ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা আমার অন্যতম প্রধান কাজ হবে। কৃষিক্ষেত্রে প্রতিটি ইউনিয়নে ‘ওয়ান স্টপ এগ্রো সাপোর্ট গ্রুপ’ তৈরি করে কৃষকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ ও সরকারিভাবে কৃষি যন্ত্রপাতি কেনার সুযোগ করে দেওয়া হবে। উন্নত মানের হাসপাতাল নির্মাণ এবং সেখানে ডাক্তারদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। ধামরাইয়ের সকল কর্মক্ষম মানুষের একটি ডেটাবেজ তৈরি করে তাদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করার পরিকল্পনাও আমার রয়েছে।” তিনি আরো জানান, তাঁর ‘নির্বাচনি ইশতেহার ২০২৬’-এ আরও অনেক প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা তিনি পূরণ করার চেষ্টা করবেন। তিনি বর্তমানে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করছেন, তাদের কথা শুনছেন এবং উঠান বৈঠক করছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) থেকেও বেশ কয়েকজন নারী প্রার্থী তাদের নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় রয়েছেন। চট্টগ্রাম-১১ আসনের প্রার্থী দীপা মজুমদার গত ২৩ জানুয়ারি নগরের গোসাইলডাঙা ও সদরঘাট এলাকায় গণসংযোগ করেছেন এবং আনু মাঝির ঘাট এলাকায় উঠান বৈঠক করেছেন। সেখানে তিনি কাঁচি প্রতীকে ভোট চেয়েছেন। ভোটারদের কাছ থেকে তিনি উষ্ণ অভ্যর্থনা পাচ্ছেন। দীপা মজুমদার জানান, “ভোটের ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। মানুষ আমাদের উৎসাহের সঙ্গে গ্রহণ করছেন। নারী প্রার্থী হিসেবে তারা আমাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।”

চট্টগ্রাম-১০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী আরেক প্রার্থী আসমা আক্তার ২৪ জানুয়ারি নগরের ঈদগাহ এলাকা থেকে তাঁর প্রচারণা শুরু করেছেন। তিনি বলেন, “এক সময় নারীরা ভোটকেন্দ্রে যেতে ভয় পেতেন। তাঁদের ওপর নানা ধরনের চাপ ছিল। অনেকেই এখনো ভোট হওয়া নিয়ে সন্দিহান। প্রথম দিন কিছু সংঘর্ষের ঘটনায় তারা আবারও আতঙ্কিত। আমরা তাদের এই ভয় কাটাতে কাজ করছি।” গত দুদিনে তিনি নগরের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেছেন। আসমা আক্তার নারীদের শিক্ষা ও ভোটাধিকার নিয়ে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন এবং বলছেন, “এতদিন মা-বোনেরা ঘরে বন্দি ছিলেন। আমি তাদের অধিকার নিয়ে কাজ করতে এবং তাদের প্রতিনিধি হিসেবে কথা বলতে চাই। জনগণের কাছ থেকে আমরা ভালো সাড়া পাচ্ছি।”

এই নারী প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণায় সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং তাদের প্রতি outpouring of affection নির্বাচনী রাজনীতিতে এক ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে। ভোটাররা নতুন মুখ এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের প্রতিশ্রুতির প্রতি বিশেষভাবে আকৃষ্ট হচ্ছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের ৩ ধাপ অবনতি: ১৮০ দেশের মধ্যে ১৫২তম অবস্থান

নারী প্রার্থীদের গণসংযোগে স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া, নির্বাচনী মাঠে নতুন আশার আলো

আপডেট সময় : ০৩:০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নির্বাচনী আসনগুলোতে দল-মত নির্বিশেষে মনোনয়নপ্রাপ্ত নারী প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। প্রচার-প্রচারণায় নেমে তারা সর্বস্তরের মানুষের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া ও উষ্ণ ভালোবাসা পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন একাধিক নারী প্রার্থী। তাদের এই সক্রিয় অংশগ্রহণ নির্বাচনী রাজনীতিতে এক নতুন ধারার সূচনা করেছে এবং ভোটারদের মাঝেও এক নতুন প্রত্যাশা জাগিয়েছে।

ফরিদপুর-২ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন শামা ওবায়েদ। তাঁর বাবা, প্রয়াত রাজনীতিক এবং সাবেক মন্ত্রী, এস. এম. ওবায়দুর রহমানের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বহন করে তিনি রাজনীতিতে এসেছেন। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা শামা ওবায়েদ বর্তমানে তাঁর নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছেন। বাবার গণতান্ত্রিক আদর্শ ও মানবতাবোধ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি রাজনীতিতে এসেছেন এবং মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চান। শামা ওবায়েদ বলেন, “আমার বাবার জীবন ছিল মানুষের জন্য নিবেদিত। আমি তাঁর রেখে যাওয়া অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে চাই এবং ফরিদপুরকে একটি মডেল জেলা হিসেবে গড়ে তোলাই আমার প্রধান লক্ষ্য।” তিনি আরও জানান, “জনগণের সাথে সবসময় আছি এবং থাকব। তাদের চাহিদা ও প্রত্যাশা পূরণে আমি নিরলসভাবে কাজ করে যাব।”

এদিকে, ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে শাপলা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ। ধামরাই উপজেলার চৌহাট ইউনিয়নের পাড়াগ্রামের এই বাসিন্দা স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে একজন নতুন মুখ হলেও তাঁর শিক্ষিত, ভদ্র ও কর্মঠ ইমেজ ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। অনেকেই মনে করছেন, তিনি ধামরাইয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক ধারা সৃষ্টি করতে সক্ষম হবেন। এনসিপি জানিয়েছে, তরুণ ও যোগ্য নেতৃত্বকে সামনে এনে রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনাই তাদের লক্ষ্য, আর তারই অংশ হিসেবে নাবিলা তাসনিদকে এই আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বিতা সম্পর্কে বলেন, “আমি কোনো পেশাদার রাজনীতিবিদ নই, আমি এই এলাকারই মেয়ে। আমার স্পষ্ট বক্তব্য হলো, ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনকে অবহেলার দিন শেষ। আমরা সকলে সমান কর প্রদান করি, তাই আমাদের অধিকারও সমান হওয়া উচিত। এবার আমরা আমাদের ন্যায্য পাওনা বুঝে নেব।” নির্বাচিত হলে এলাকার মানুষের জন্য তাঁর পরিকল্পনার কথা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, “যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকারত্ব দূর করা, কারিগরি শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া, আইটি পার্ক স্থাপন, হাই-স্পিড ইন্টারনেট সেবা চালু করা এবং নারী ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা আমার অন্যতম প্রধান কাজ হবে। কৃষিক্ষেত্রে প্রতিটি ইউনিয়নে ‘ওয়ান স্টপ এগ্রো সাপোর্ট গ্রুপ’ তৈরি করে কৃষকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ ও সরকারিভাবে কৃষি যন্ত্রপাতি কেনার সুযোগ করে দেওয়া হবে। উন্নত মানের হাসপাতাল নির্মাণ এবং সেখানে ডাক্তারদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। ধামরাইয়ের সকল কর্মক্ষম মানুষের একটি ডেটাবেজ তৈরি করে তাদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করার পরিকল্পনাও আমার রয়েছে।” তিনি আরো জানান, তাঁর ‘নির্বাচনি ইশতেহার ২০২৬’-এ আরও অনেক প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা তিনি পূরণ করার চেষ্টা করবেন। তিনি বর্তমানে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করছেন, তাদের কথা শুনছেন এবং উঠান বৈঠক করছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) থেকেও বেশ কয়েকজন নারী প্রার্থী তাদের নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় রয়েছেন। চট্টগ্রাম-১১ আসনের প্রার্থী দীপা মজুমদার গত ২৩ জানুয়ারি নগরের গোসাইলডাঙা ও সদরঘাট এলাকায় গণসংযোগ করেছেন এবং আনু মাঝির ঘাট এলাকায় উঠান বৈঠক করেছেন। সেখানে তিনি কাঁচি প্রতীকে ভোট চেয়েছেন। ভোটারদের কাছ থেকে তিনি উষ্ণ অভ্যর্থনা পাচ্ছেন। দীপা মজুমদার জানান, “ভোটের ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। মানুষ আমাদের উৎসাহের সঙ্গে গ্রহণ করছেন। নারী প্রার্থী হিসেবে তারা আমাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।”

চট্টগ্রাম-১০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী আরেক প্রার্থী আসমা আক্তার ২৪ জানুয়ারি নগরের ঈদগাহ এলাকা থেকে তাঁর প্রচারণা শুরু করেছেন। তিনি বলেন, “এক সময় নারীরা ভোটকেন্দ্রে যেতে ভয় পেতেন। তাঁদের ওপর নানা ধরনের চাপ ছিল। অনেকেই এখনো ভোট হওয়া নিয়ে সন্দিহান। প্রথম দিন কিছু সংঘর্ষের ঘটনায় তারা আবারও আতঙ্কিত। আমরা তাদের এই ভয় কাটাতে কাজ করছি।” গত দুদিনে তিনি নগরের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেছেন। আসমা আক্তার নারীদের শিক্ষা ও ভোটাধিকার নিয়ে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন এবং বলছেন, “এতদিন মা-বোনেরা ঘরে বন্দি ছিলেন। আমি তাদের অধিকার নিয়ে কাজ করতে এবং তাদের প্রতিনিধি হিসেবে কথা বলতে চাই। জনগণের কাছ থেকে আমরা ভালো সাড়া পাচ্ছি।”

এই নারী প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণায় সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং তাদের প্রতি outpouring of affection নির্বাচনী রাজনীতিতে এক ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে। ভোটাররা নতুন মুখ এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের প্রতিশ্রুতির প্রতি বিশেষভাবে আকৃষ্ট হচ্ছেন।