আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানীজুড়ে রাজনৈতিক প্রচার-প্রচারণা তুঙ্গে। ভোটারদের মন জয় করতে প্রার্থীরা মসজিদ, মন্দির, মাজার, শহীদ মিনার এবং শহীদ পরিবারের বাড়িগুলোকে তাদের প্রচারণার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছেন। শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা পৌঁছে দিতে ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক স্থানগুলোতে প্রার্থীদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
প্রচারণার শুরু থেকেই, অর্থাৎ ২২ জানুয়ারি থেকে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীদের মসজিদে নামাজ আদায় করতে এবং মুসল্লিদের সঙ্গে মতবিনিময় করতে দেখা গেছে। অনেক প্রার্থী একদিনে একাধিক মসজিদে নামাজ আদায় করছেন—ফজরের নামাজ এক এলাকায়, জোহরের নামাজ অন্য এলাকায়, এবং আসর, মাগরিব ও এশার নামাজ ভিন্ন ভিন্ন মসজিদে। নামাজ শেষে তারা এলাকার উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলছেন। অনেক প্রার্থী মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে তাদের গণসংযোগ শুরু করছেন।
একই সঙ্গে, সন্ধ্যায় ও রাতে বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীরা মন্দিরে গিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। তারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহাবস্থান বজায় রাখার আশ্বাস দিচ্ছেন। এছাড়াও, কিছু প্রার্থী শহীদদের কবর জিয়ারত এবং শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার মাধ্যমে তাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে তারা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও দেশ গঠনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করছেন।
গত মঙ্গলবার, ঢাকা-১৫ আসনে পূর্ব কাজীপাড়া এলাকার ইটখোলা বাজার বায়তুর রহমান জামে মসজিদে আসরের নামাজের পর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষে গণসংযোগে অংশ নেন দলটির নেতাকর্মীরা। তারা কচুক্ষেত স্বাধীনতা চত্বরের মুহাম্মাদিয়া জামে মসজিদসহ আগারগাঁও এবং শামীম সরণি এলাকার বিভিন্ন মসজিদে রাত পর্যন্ত গণসংযোগ কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
ঢাকা-১৬ আসনে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেন পল্লবী এলাকার বাইতুন নূর মসজিদে ফজরের নামাজ আদায়ের মাধ্যমে তার দিনব্যাপী প্রচারণা শুরু করেন। এরপর তিনি মিরপুর ১১, ঝুটপট্টি এবং মিল্লাত ক্যাম্প এলাকায় নামাজ ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। রাত পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় তার গণসংযোগ কার্যক্রম অব্যাহত ছিল।
রিপোর্টারের নাম 
























