ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের যেকোনো ধরনের কর্মসূচি বা অপতৎপরতা রাজপথে কঠোরভাবে প্রতিহত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দেশের বর্তমান স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান ঠেকাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন এবং সাধারণ জনতা এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।
সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত দেড় দশকে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত দলটিকে কোনোভাবেই জনসমক্ষে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ দেওয়া হবে না। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন উস্কানিমূলক কর্মসূচি এবং জমায়েতের আহ্বানের প্রেক্ষাপটে এই কঠোর অবস্থানের কথা জানানো হলো।
বক্তব্য ও বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেছেন, ৫ আগস্টের পর থেকে দেশ এক নতুন অভিযাত্রায় শামিল হয়েছে। এই সময়ে কোনো চিহ্নিত গোষ্ঠী যদি প্রতিবিপ্লবের নামে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করে, তবে সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে তাদের সমুচিত জবাব দেওয়া হবে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়সহ দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় সতর্ক অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও জানিয়েছে, জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তারা আপসহীন। যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীসহ সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে জনমনে এখনো তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। এই অবস্থায় আওয়ামী লীগের কোনো রাজনৈতিক তৎপরতা জনরোষের সৃষ্টি করতে পারে। তাই আইন-শৃঙ্খলার অবনতি রোধে এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে রাজপথের শক্তিগুলো স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, ফ্যাসিবাদের দোসরদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না এবং তাদের যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হাতে দমন করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 
























