ঢাকা ১০:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

সংসদ নির্বাচন: অনুদান-সংবর্ধনা ও সরকারি সুবিধা ব্যবহারে ইসির নিষেধাজ্ঞা

আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটের আগে যেকোনো ধরনের অনুদান গ্রহণ, অর্থ বরাদ্দ এবং সংবর্ধনা আয়োজনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন-পূর্ব সময়ে কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী অথবা তাদের পক্ষে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে চাঁদা, অনুদান বা উপটৌকন প্রদান বা এর প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

ইসি কর্তৃক জারি করা ‘নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫’ এর ধারা ৪ অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কেউ প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো অনুদান বা উপটৌকন দিতে পারবেন না। একইসাথে কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন থেকে সংবর্ধনা গ্রহণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া, সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কোনো উন্নয়ন বা রাজস্ব প্রকল্পের অনুমোদন, ঘোষণা, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অথবা ফলক উন্মোচনও এই সময়ে করা যাবে না।

এদিকে, সরকারি বা আধা-সরকারি তহবিল থেকে কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে অনুদান ঘোষণা কিংবা অর্থ বরাদ্দ দেওয়া যাবে না। আচরণ বিধিমালার ধারা ৫ এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সরকারি ডাকবাংলো, রেস্ট হাউজ, সার্কিট হাউজ বা সরকারি কার্যালয় কোনো প্রকার রাজনৈতিক প্রচারণার কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

নির্বাচন কমিশন কঠোরভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, এই আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘন একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। বিধিমালা ভঙ্গকারীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। এছাড়াও, গুরুতর লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও নির্বাচন কমিশনের রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালানো যাবে। এর পরদিন, অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন সমাপ্ত: ২৫ কার্যদিবসে রেকর্ড ৯৪ বিল পাস

সংসদ নির্বাচন: অনুদান-সংবর্ধনা ও সরকারি সুবিধা ব্যবহারে ইসির নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় : ০৮:৫৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটের আগে যেকোনো ধরনের অনুদান গ্রহণ, অর্থ বরাদ্দ এবং সংবর্ধনা আয়োজনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন-পূর্ব সময়ে কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী অথবা তাদের পক্ষে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে চাঁদা, অনুদান বা উপটৌকন প্রদান বা এর প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

ইসি কর্তৃক জারি করা ‘নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫’ এর ধারা ৪ অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কেউ প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো অনুদান বা উপটৌকন দিতে পারবেন না। একইসাথে কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন থেকে সংবর্ধনা গ্রহণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া, সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কোনো উন্নয়ন বা রাজস্ব প্রকল্পের অনুমোদন, ঘোষণা, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অথবা ফলক উন্মোচনও এই সময়ে করা যাবে না।

এদিকে, সরকারি বা আধা-সরকারি তহবিল থেকে কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে অনুদান ঘোষণা কিংবা অর্থ বরাদ্দ দেওয়া যাবে না। আচরণ বিধিমালার ধারা ৫ এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সরকারি ডাকবাংলো, রেস্ট হাউজ, সার্কিট হাউজ বা সরকারি কার্যালয় কোনো প্রকার রাজনৈতিক প্রচারণার কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

নির্বাচন কমিশন কঠোরভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, এই আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘন একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। বিধিমালা ভঙ্গকারীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। এছাড়াও, গুরুতর লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও নির্বাচন কমিশনের রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালানো যাবে। এর পরদিন, অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।