ঢাকা ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

জাতীয় নির্বাচন: ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে প্রচার-প্রচারণা নিষিদ্ধ, কঠোর নিরাপত্তা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভোটকেন্দ্রের চারপাশের নিরাপত্তা এবং ভোটারদের গোপনীয়তা রক্ষায় একগুচ্ছ কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। এ নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে কোনো প্রার্থী বা তাদের সমর্থকরা নির্বাচনী ক্যাম্প স্থাপন করতে পারবেন না। একইসাথে, যেকোনো ধরনের প্রচারপত্র, পোস্টার বা লিফলেট ভোটগ্রহণ শুরুর পূর্বেই সরিয়ে ফেলতে হবে।

নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এসব নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, যা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।

ভোটারদের গোপনীয়তা নিশ্চিত করার উপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নির্ধারিত কক্ষ অনুযায়ী গোপন কক্ষ বা মার্কিং প্লেস স্থাপন করতে হবে। এই কক্ষগুলো এমনভাবে নির্মাণ করতে হবে যেন ভোটদানের সময় ভোটারের পছন্দ সম্পূর্ণ গোপন থাকে এবং তা যেন অন্য কারো পক্ষে দেখা সম্ভব না হয়। কোনো ভোটকক্ষে জানালা বা উন্মুক্ত স্থান থাকলে তা অবশ্যই বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হওয়ায় প্রত্যেক ভোটারকে দুটি ভিন্ন ব্যালটে ভোট দিতে হবে। এই বিষয়টি বিবেচনায় রেখে, প্রতিটি ভোটকক্ষের সঙ্গে সম্ভব হলে দুটি পৃথক গোপন কক্ষ স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেখানে দুটি গোপন কক্ষ স্থাপন করা সম্ভব হবে না, সেখানে অতিরিক্ত ভোটকক্ষ স্থাপনের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য ভোটকেন্দ্রে বিকল্প আলোর সুব্যবস্থা রাখতে হবে। এছাড়াও, ভোটকেন্দ্রে শুধুমাত্র স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা যাবে, অন্য কোনো ধরনের বাক্স ব্যবহার করা যাবে না। প্রতিটি ভোটকক্ষের জন্য একটি এবং অতিরিক্ত হিসেবে আরও একটি ব্যালট বাক্স প্রস্তুত রাখতে হবে। ভোটগ্রহণ চলাকালীন কোনো ব্যালট বাক্স পূর্ণ হয়ে গেলে, সেটি সিল করে নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে ভোটগ্রহণের দিন ভোটারদের কেন্দ্রে আনার জন্য প্রার্থী বা তাদের পক্ষে কোনো ধরনের যানবাহন ব্যবহারের সুযোগ থাকবে না। এই সকল নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার উপর জোর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন, যা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন সমাপ্ত: ২৫ কার্যদিবসে রেকর্ড ৯৪ বিল পাস

জাতীয় নির্বাচন: ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে প্রচার-প্রচারণা নিষিদ্ধ, কঠোর নিরাপত্তা

আপডেট সময় : ০৭:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভোটকেন্দ্রের চারপাশের নিরাপত্তা এবং ভোটারদের গোপনীয়তা রক্ষায় একগুচ্ছ কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। এ নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে কোনো প্রার্থী বা তাদের সমর্থকরা নির্বাচনী ক্যাম্প স্থাপন করতে পারবেন না। একইসাথে, যেকোনো ধরনের প্রচারপত্র, পোস্টার বা লিফলেট ভোটগ্রহণ শুরুর পূর্বেই সরিয়ে ফেলতে হবে।

নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এসব নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, যা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।

ভোটারদের গোপনীয়তা নিশ্চিত করার উপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নির্ধারিত কক্ষ অনুযায়ী গোপন কক্ষ বা মার্কিং প্লেস স্থাপন করতে হবে। এই কক্ষগুলো এমনভাবে নির্মাণ করতে হবে যেন ভোটদানের সময় ভোটারের পছন্দ সম্পূর্ণ গোপন থাকে এবং তা যেন অন্য কারো পক্ষে দেখা সম্ভব না হয়। কোনো ভোটকক্ষে জানালা বা উন্মুক্ত স্থান থাকলে তা অবশ্যই বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হওয়ায় প্রত্যেক ভোটারকে দুটি ভিন্ন ব্যালটে ভোট দিতে হবে। এই বিষয়টি বিবেচনায় রেখে, প্রতিটি ভোটকক্ষের সঙ্গে সম্ভব হলে দুটি পৃথক গোপন কক্ষ স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেখানে দুটি গোপন কক্ষ স্থাপন করা সম্ভব হবে না, সেখানে অতিরিক্ত ভোটকক্ষ স্থাপনের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য ভোটকেন্দ্রে বিকল্প আলোর সুব্যবস্থা রাখতে হবে। এছাড়াও, ভোটকেন্দ্রে শুধুমাত্র স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা যাবে, অন্য কোনো ধরনের বাক্স ব্যবহার করা যাবে না। প্রতিটি ভোটকক্ষের জন্য একটি এবং অতিরিক্ত হিসেবে আরও একটি ব্যালট বাক্স প্রস্তুত রাখতে হবে। ভোটগ্রহণ চলাকালীন কোনো ব্যালট বাক্স পূর্ণ হয়ে গেলে, সেটি সিল করে নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে ভোটগ্রহণের দিন ভোটারদের কেন্দ্রে আনার জন্য প্রার্থী বা তাদের পক্ষে কোনো ধরনের যানবাহন ব্যবহারের সুযোগ থাকবে না। এই সকল নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার উপর জোর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন, যা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।