সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম পে স্কেলের সুপারিশ ও প্রতিবেদন বাস্তবায়ন করতে পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ এবং সড়ক পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি জানান, দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি কর্মচারীদের দাবির মুখে এই পে কমিশনের প্রতিবেদন গ্রহণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অত্যন্ত সীমিত। আমরা যেসব পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি, নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এসে সেগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের জটিলতার সম্মুখীন হবে না। পে স্কেল নিয়ে জনমনে যে বিভ্রান্তি রয়েছে তা স্পষ্ট করে তিনি বলেন, দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধিতে কোনো পে কমিশন গঠন করা হয়নি, যা ছিল তাদের দীর্ঘদিনের একটি যৌক্তিক দাবি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অন্তর্বর্তী সরকার কেবল পে কমিশনের রিপোর্টটি গ্রহণ করেছে, তবে এটি বাস্তবায়নের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বর্তমান সরকারের মেয়াদের শেষ পর্যায়ে থাকায় এই মুহূর্তে কোনো বড় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। তবে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা জাতীয় বেতন কমিশনের এই প্রতিবেদনটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন।
এদিকে, আসন্ন রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ক্রয়সংক্রান্ত কমিটির বৈঠকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টা জানান, স্থানীয় বাজার থেকে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল এবং ১ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কৃষি উৎপাদন সচল রাখতে ৪০ হাজার মেট্রিক টন সার ক্রয়ের প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়েছে। একই সাথে আলুচাষিদের ভর্তুকি প্রদানের বিষয়টি পুনরায় খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























