সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলাম ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য এবং বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে ইসরায়েলি প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব স্যামি ইয়াহুদের ভিসা বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং ঘৃণা ছড়ানো বন্ধে দেশটির কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টোনি বার্ক এই পদক্ষেপের বিষয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি জানান, যারা সমাজে ঘৃণা ও বিভাজন সৃষ্টি করতে চায়, তাদের অস্ট্রেলিয়ায় কোনো স্থান নেই। বার্ক স্পষ্ট করে বলেন, যারা অস্ট্রেলিয়া সফর করতে চান, তাদের অবশ্যই সঠিক এবং সম্মানজনক উদ্দেশ্য নিয়ে আসতে হবে। অন্যথায় দেশটিতে তাদের প্রবেশাধিকার থাকবে না।
জানা গেছে, স্যামি ইয়াহুদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলামকে একটি ‘ঘৃণ্য মতাদর্শ’ হিসেবে অভিহিত করে মন্তব্য করেছিলেন। তার এই উসকানিমূলক বক্তব্যের পর অস্ট্রেলিয়ার প্রচলিত ঘৃণা অপরাধ আইনের (Hate Crime Law) আওতায় তার ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উল্লেখ্য, গত ১৪ ডিসেম্বর বন্ডি সমুদ্র সৈকতে হানুক্কা উদযাপন চলাকালীন একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর থেকে অস্ট্রেলিয়া তাদের এই আইন আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করছে।
এদিকে, ইসরায়েলি এই প্রভাবশালীর ভিসা বাতিলের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে রক্ষণশীল অস্ট্রেলীয় ইহুদি সমিতি। সংগঠনটি ইয়াহুদকে দেশটিতে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তারা।
তবে অস্ট্রেলিয়া সরকারের এমন কঠোর পদক্ষেপ এবারই প্রথম নয়। এর আগেও গত বছর উগ্র ডানপন্থী ইসরায়েলি রাজনীতিক সিমচা রথম্যানের ভিসা একইভাবে বাতিল করা হয়েছিল। মূলত উসকানিমূলক বক্তব্য এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে ক্যানবেরা।
রিপোর্টারের নাম 
























