ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

গাজায় আটক শেষ জিম্মির মরদেহ উদ্ধার, ইসরায়েলের জন্য এক অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৬:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

গাজায় আটক থাকা সর্বশেষ জিম্মি, পুলিশ কর্মকর্তা রান গিভিলির মরদেহ উদ্ধার করে ইসরায়েলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। সোমবার ইসরায়েলি বাহিনী এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে ইসরায়েলের জন্য যে দীর্ঘ ও বেদনাদায়ক অধ্যায় শুরু হয়েছিল, এর মধ্য দিয়ে তার অবসান ঘটল বলে মন্তব্য করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস গাজা উপত্যকায় ২৫১ জনকে জিম্মি করে নিয়ে গিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন যুদ্ধবিরতি চুক্তি, বন্দিবিনিময় এবং সামরিক উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে ধাপে ধাপে এসব জিম্মিকে ফিরিয়ে আনা হয়। এই প্রক্রিয়া দীর্ঘ সময় ধরে চলেছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। মার্কিন-সমর্থিত বিভিন্ন যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় জিম্মি হস্তান্তরের ঘটনাগুলো ইসরায়েল-হামাস সংঘাত নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

সবশেষ জিম্মির মরদেহ উদ্ধারের ফলে গাজা ও মিশরের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ রাফা ক্রসিং সীমিত আকারে পুনরায় চালুর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, সব জিম্মিকে উদ্ধার করা সম্ভব হলে ইসরায়েলি তল্লাশির শর্তে রাফা ক্রসিং আবার চালু করা হবে।

রান গিভিলির কফিন সাইরেন ও আলোকসজ্জাসহ গাড়ির বহরের মাধ্যমে বহন করা হয়। এ সময় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে সাধারণ ইসরায়েলিরা জাতীয় পতাকা নেড়ে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। গাজার কাছে একটি সামরিক ঘাঁটিতে আয়োজিত স্মরণ অনুষ্ঠানে নিহত পুলিশ কর্মকর্তার বাবা ইৎজিক গিভিলি ছেলের কফিনের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু রান গিভিলিকে “ইসরায়েলের একজন নায়ক” হিসেবে অভিহিত করে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানান।

এদিকে, হামাস জানিয়েছে, তারা গিভিলির মরদেহের অবস্থান সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করেছে। সংগঠনটির মুখপাত্র হাজেম কাসেম বলেন, মরদেহ উদ্ধার হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির সব শর্ত পালনে হামাসের প্রতিশ্রুতিরই প্রমাণ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসের পরও দেশে মবের ঘটনা অব্যাহত: সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা

গাজায় আটক শেষ জিম্মির মরদেহ উদ্ধার, ইসরায়েলের জন্য এক অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি

আপডেট সময় : ১১:৫৬:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

গাজায় আটক থাকা সর্বশেষ জিম্মি, পুলিশ কর্মকর্তা রান গিভিলির মরদেহ উদ্ধার করে ইসরায়েলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। সোমবার ইসরায়েলি বাহিনী এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে ইসরায়েলের জন্য যে দীর্ঘ ও বেদনাদায়ক অধ্যায় শুরু হয়েছিল, এর মধ্য দিয়ে তার অবসান ঘটল বলে মন্তব্য করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস গাজা উপত্যকায় ২৫১ জনকে জিম্মি করে নিয়ে গিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন যুদ্ধবিরতি চুক্তি, বন্দিবিনিময় এবং সামরিক উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে ধাপে ধাপে এসব জিম্মিকে ফিরিয়ে আনা হয়। এই প্রক্রিয়া দীর্ঘ সময় ধরে চলেছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। মার্কিন-সমর্থিত বিভিন্ন যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় জিম্মি হস্তান্তরের ঘটনাগুলো ইসরায়েল-হামাস সংঘাত নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

সবশেষ জিম্মির মরদেহ উদ্ধারের ফলে গাজা ও মিশরের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ রাফা ক্রসিং সীমিত আকারে পুনরায় চালুর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, সব জিম্মিকে উদ্ধার করা সম্ভব হলে ইসরায়েলি তল্লাশির শর্তে রাফা ক্রসিং আবার চালু করা হবে।

রান গিভিলির কফিন সাইরেন ও আলোকসজ্জাসহ গাড়ির বহরের মাধ্যমে বহন করা হয়। এ সময় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে সাধারণ ইসরায়েলিরা জাতীয় পতাকা নেড়ে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। গাজার কাছে একটি সামরিক ঘাঁটিতে আয়োজিত স্মরণ অনুষ্ঠানে নিহত পুলিশ কর্মকর্তার বাবা ইৎজিক গিভিলি ছেলের কফিনের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু রান গিভিলিকে “ইসরায়েলের একজন নায়ক” হিসেবে অভিহিত করে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানান।

এদিকে, হামাস জানিয়েছে, তারা গিভিলির মরদেহের অবস্থান সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করেছে। সংগঠনটির মুখপাত্র হাজেম কাসেম বলেন, মরদেহ উদ্ধার হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির সব শর্ত পালনে হামাসের প্রতিশ্রুতিরই প্রমাণ।