মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত ‘শান্তি পর্ষদ’ বা ‘বোর্ড অব পিস’ কাশ্মীরের মতো সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে হস্তক্ষেপ করতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে ভারত এতে যোগদানে বিরত রয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে এই পর্ষদ গঠনের সনদ স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানে ভারতের অনুপস্থিতি এই জল্পনাকে আরও উস্কে দিয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসন কর্তৃক এই শান্তি পর্ষদ গঠনের ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে যখন জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে আমেরিকা নিজেদের প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে অনেকে মনে করছেন, ট্রাম্প হয়তো বিশ্ব মঞ্চে জাতিসংঘের প্রাসঙ্গিকতা কমানোর চেষ্টা করছেন।
জানা গেছে, ট্রাম্পের এই শান্তি পর্ষদ কেবল গাজার যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বিশ্বের অন্যান্য সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলেও এর কার্যক্রম প্রসারিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান এই পর্ষদে যোগ দিয়েছে, যা নয়াদিল্লির জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ট্রাম্প যদি কাশ্মীর বিরোধকে তার শান্তি পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত করেন, তবে এই পর্ষদ সমাধানের চেষ্টা করবে। সেক্ষেত্রে, আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের মতো বিষয়গুলোতে ভারতের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।
জাতিসংঘে ভারতের প্রাক্তন দূত এবং বিভিন্ন দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রদূতদের মতে, ট্রাম্পের এই শান্তি উদ্যোগ গাজার বাইরেও প্রসারিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং ভারতের পক্ষে এর বিরোধিতা করা কঠিন হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের কূটনৈতিক অবস্থান ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে।
রিপোর্টারের নাম 























