সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে তারা কোনো দেশের বিরুদ্ধে, বিশেষ করে ইরানের বিরুদ্ধে, কোনো ধরনের শত্রুতাপূর্ণ সামরিক কর্মকাণ্ডের জন্য নিজেদের আকাশসীমা, ভূখণ্ড বা জলসীমা ব্যবহার করতে দেবে না। একই সঙ্গে, তেহরানের বিরুদ্ধে কোনো হামলায় লজিস্টিক সহায়তা প্রদানের বিষয়টিও দেশটি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
সোমবার এক সরকারি বিবৃতিতে ইউএই-এর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে বর্তমান আঞ্চলিক সংকট নিরসনে তারা সংলাপ, উত্তেজনা হ্রাস, আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা এবং রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাকেই সবচেয়ে কার্যকর পথ হিসেবে বিবেচনা করে। বিরোধ নিষ্পত্তিতে কূটনৈতিক উপায়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি বিবৃতিতে বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে।
ইরানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষিতে গত মাসে দেশটির বিভিন্ন শহরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই আবহে, মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে যে ইরানের ওপর সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং এর সঙ্গে থাকা তিনটি ডেস্ট্রয়ার ভারত মহাসাগর পেরিয়ে ওমান উপসাগরের দিকে অগ্রসর হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রতিবেদনগুলির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন যে একটি মার্কিন নৌবহর মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং ইরানের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে যে ইরানের সঙ্গে মোকাবিলার জন্য সামরিক পদক্ষেপসহ সকল বিকল্পই বিবেচনাধীন রয়েছে। একই সঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দিয়েছে।
এর প্রতিক্রিয়ায়, ইরানি কর্মকর্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো আক্রমণের জবাবে তারা দ্রুত এবং ব্যাপক প্রতিক্রিয়া জানাবে।
উল্লেখ্য, গত বছর জুনে ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে ১২ দিনের যুদ্ধ শুরু করেছিল। পরবর্তীতে তেহরানের পক্ষ থেকে প্রতিশোধমূলক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হলে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 























