জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগে বেসরকারি ব্যাংক, বিশেষত ইসলামী ব্যাংক এবং সম্প্রতি একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সংক্রান্ত একটি চিঠি সোমবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, পর্যাপ্ত সংখ্যক কর্মকর্তা না পাওয়া গেলে যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে বেসরকারি ব্যাংক কর্মীদের ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ জানুয়ারি বিএনপির পক্ষ থেকে পাঠানো একটি চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন এই ব্যাখ্যা প্রদান করে। বিএনপি তাদের চিঠিতে বেসরকারি ব্যাংক কর্মী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে পরিচিতি রয়েছে এমন ব্যক্তিদের ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতকৃত ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল থেকে বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাদ দিয়ে প্যানেল তৈরির জন্য সকল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে, একই নির্দেশনায় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় যে, ভোটগ্রহণের জন্য যদি পর্যাপ্ত সংখ্যক কর্মকর্তা পাওয়া না যায়, তাহলে বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাইয়ের পর নিয়োগ করা যেতে পারে।
এই নির্দেশনার আলোকে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের নিয়োগ চূড়ান্ত করার জন্য গত ২৬ জানুয়ারি সকল রিটার্নিং কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে।
রিপোর্টারের নাম 






















