ঢাকা ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বিদ্যুতে ২০% ছাড়: উৎপাদন ব্যয় কমাতে ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি

প্রান্তিক পর্যায়ের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খামারগুলোর উৎপাদন ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিলে ২০ শতাংশ রিবেট (ছাড়) দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই সুবিধা বাস্তবায়নে অর্থ বিভাগ থেকে ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ার ঘোষণাও এসেছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে সোমবার পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এই সিদ্ধান্তের ফলে মৎস্য খামার, হ্যাচারি, গবাদি পশু ও পোল্ট্রি খামারের উদ্যোক্তারা বিদ্যুতের খরচ বাবদ উল্লেখযোগ্য সুবিধা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট খাতের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষিপণ্য রপ্তানিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বিদ্যুৎ রিবেট সংক্রান্ত সরকারের বিদ্যমান নীতিমালার আওতায় বর্তমানে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষিপণ্য রপ্তানিতে উৎসাহ প্রদান এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পের বিকাশের লক্ষ্যে মোট ১৬টি খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ রিবেট দেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট চারটি গুরুত্বপূর্ণ খাতকে এই সুবিধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ভর্তুকির আওতায় আসা নতুন খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে—পশু ও পোল্ট্রি খাদ্য প্রস্তুতকারী শিল্প, ফিশ ফিড উৎপাদন শিল্প, পোল্ট্রি শিল্প এবং দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ শিল্প। দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণের আওতায় দুধ পাস্তুরিতকরণ, গুঁড়ো দুধ, আইসক্রিম, কনডেন্সড মিল্ক, মিষ্টান্ন, পনির, ঘি, মাখন, চকোলেট ও দইসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এই সুবিধা পাবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারাগঞ্জে পাচারকালে ৪০০ লিটার পেট্রোল জব্দ, আটক ১

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বিদ্যুতে ২০% ছাড়: উৎপাদন ব্যয় কমাতে ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

প্রান্তিক পর্যায়ের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খামারগুলোর উৎপাদন ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিলে ২০ শতাংশ রিবেট (ছাড়) দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই সুবিধা বাস্তবায়নে অর্থ বিভাগ থেকে ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ার ঘোষণাও এসেছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে সোমবার পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এই সিদ্ধান্তের ফলে মৎস্য খামার, হ্যাচারি, গবাদি পশু ও পোল্ট্রি খামারের উদ্যোক্তারা বিদ্যুতের খরচ বাবদ উল্লেখযোগ্য সুবিধা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট খাতের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষিপণ্য রপ্তানিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বিদ্যুৎ রিবেট সংক্রান্ত সরকারের বিদ্যমান নীতিমালার আওতায় বর্তমানে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষিপণ্য রপ্তানিতে উৎসাহ প্রদান এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পের বিকাশের লক্ষ্যে মোট ১৬টি খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ রিবেট দেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট চারটি গুরুত্বপূর্ণ খাতকে এই সুবিধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ভর্তুকির আওতায় আসা নতুন খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে—পশু ও পোল্ট্রি খাদ্য প্রস্তুতকারী শিল্প, ফিশ ফিড উৎপাদন শিল্প, পোল্ট্রি শিল্প এবং দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ শিল্প। দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণের আওতায় দুধ পাস্তুরিতকরণ, গুঁড়ো দুধ, আইসক্রিম, কনডেন্সড মিল্ক, মিষ্টান্ন, পনির, ঘি, মাখন, চকোলেট ও দইসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এই সুবিধা পাবে।