ঢাকা ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন ব্যয় কমাতে বড় ভর্তুকির ঘোষণা

দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের মৎস্য খামার, হ্যাচারি এবং গবাদিপশু ও পোল্ট্রি খামারগুলোর উৎপাদন ব্যয় কমাতে সরকার বিদ্যুৎ বিলে ২০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই বিশেষ সুবিধা খামার ও হ্যাচারি মালিকদের উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষিপণ্য রপ্তানিতে উৎসাহ দেওয়া এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার বর্তমানে ১৬টি খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ রিবেট প্রদান করছে। এরই ধারাবাহিকতায়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের চারটি বিশেষায়িত ক্ষেত্রে এই ভর্তুকি প্রদানের জন্য অর্থ বিভাগ ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।

এই ভর্তুকি সুবিধার আওতায় মূলত চারটি শিল্প ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এগুলো হলো: পশু ও পোল্ট্রি খাদ্য উৎপাদনকারী শিল্প, মাছের খাদ্য (ফিস ফিড) উৎপাদনকারী শিল্প, পোল্ট্রি শিল্প এবং দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ শিল্প। দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের মধ্যে রয়েছে পাস্তুরিত দুধ, গুঁড়ো দুধ, আইসক্রিম, কনডেন্সড মিল্ক, মিষ্টান্ন, পনির, ঘি, মাখন, চকোলেট এবং দই উৎপাদন।

সরকারের এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ উৎপাদন ব্যয় কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট শিল্পখাতে বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে এবং দেশে নিরাপদ ও মানসম্মত প্রাণিজ আমিষের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারাগঞ্জে পাচারকালে ৪০০ লিটার পেট্রোল জব্দ, আটক ১

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন ব্যয় কমাতে বড় ভর্তুকির ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৪:২৭:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের মৎস্য খামার, হ্যাচারি এবং গবাদিপশু ও পোল্ট্রি খামারগুলোর উৎপাদন ব্যয় কমাতে সরকার বিদ্যুৎ বিলে ২০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই বিশেষ সুবিধা খামার ও হ্যাচারি মালিকদের উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষিপণ্য রপ্তানিতে উৎসাহ দেওয়া এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার বর্তমানে ১৬টি খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ রিবেট প্রদান করছে। এরই ধারাবাহিকতায়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের চারটি বিশেষায়িত ক্ষেত্রে এই ভর্তুকি প্রদানের জন্য অর্থ বিভাগ ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।

এই ভর্তুকি সুবিধার আওতায় মূলত চারটি শিল্প ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এগুলো হলো: পশু ও পোল্ট্রি খাদ্য উৎপাদনকারী শিল্প, মাছের খাদ্য (ফিস ফিড) উৎপাদনকারী শিল্প, পোল্ট্রি শিল্প এবং দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ শিল্প। দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের মধ্যে রয়েছে পাস্তুরিত দুধ, গুঁড়ো দুধ, আইসক্রিম, কনডেন্সড মিল্ক, মিষ্টান্ন, পনির, ঘি, মাখন, চকোলেট এবং দই উৎপাদন।

সরকারের এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ উৎপাদন ব্যয় কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট শিল্পখাতে বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে এবং দেশে নিরাপদ ও মানসম্মত প্রাণিজ আমিষের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার হবে।