ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করলে কানাডার ওপর ১০০% শুল্ক আরোপ

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, চীনের সঙ্গে নতুন বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করলে কানাডা থেকে আমদানি করা সব পণ্যের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। রোববার তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন, যা এক দিন আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া একই ধরনের হুমকিকে আরও জোরালো করে।

বিজ্ঞাপন

বেসেন্ট এবিসির ‘দিস উইক’ অনুষ্ঠানে বলেন, “আমরা কানাডাকে এমন একটি প্রবেশদ্বারে পরিণত হতে দিতে পারি না, যেখান দিয়ে চীন তাদের সস্তা পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে ঢেলে দেবে।”

চলতি মাসের ১৬ জানুয়ারি কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বেইজিং সফরে চীনের সঙ্গে ‘নতুন কৌশলগত অংশীদারত্ব’ ও প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছানোর ঘোষণা দেন। চুক্তি অনুযায়ী, চীন ১ মার্চের মধ্যে কানাডা থেকে আমদানি করা ক্যানোলা তেলের শুল্ক বর্তমান ৮৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে প্রায় ১৫ শতাংশে নামাবে এবং কানাডীয় নাগরিকদের ভিসামুক্ত প্রবেশের অনুমতি দেবে। বিনিময়ে, কানাডা নতুন শুল্কহারে ৪৯ হাজার চীনা বৈদ্যুতিক যান (ইভি) আমদানি করবে।

এই চুক্তি এমন সময় এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনা বাড়ছে এবং ট্রাম্প প্রশাসন বিভিন্ন আমদানির ওপর শুল্ক আরোপ করেছে।

বেসেন্ট বলেন, “তারা যদি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে যায়, তাহলে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে। যদি আমরা দেখি যে কানাডীয়রা চীনকে পণ্য ডাম্পিংয়ের সুযোগ দিচ্ছে, তাহলে নতুন শুল্ক আরোপ করা হবে।”

এদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “চীন সফলভাবে এবং সম্পূর্ণভাবে একসময়ের মহান দেশ কানাডাকে দখলে নিচ্ছে। এটা দেখে খুবই দুঃখ লাগে।” তিনি কটাক্ষ করে আরও যোগ করেন, “আমি শুধু আশা করি, তারা আইস হকিকে একা ছেড়ে দেবে।”

এসআর

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পশ্চিম তীরে ইসরাইলি আগ্রাসন, অর্ধশতাধিক ফিলিস্তিনি আটক

চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করলে কানাডার ওপর ১০০% শুল্ক আরোপ

আপডেট সময় : ১২:২৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, চীনের সঙ্গে নতুন বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করলে কানাডা থেকে আমদানি করা সব পণ্যের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। রোববার তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন, যা এক দিন আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া একই ধরনের হুমকিকে আরও জোরালো করে।

বিজ্ঞাপন

বেসেন্ট এবিসির ‘দিস উইক’ অনুষ্ঠানে বলেন, “আমরা কানাডাকে এমন একটি প্রবেশদ্বারে পরিণত হতে দিতে পারি না, যেখান দিয়ে চীন তাদের সস্তা পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে ঢেলে দেবে।”

চলতি মাসের ১৬ জানুয়ারি কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বেইজিং সফরে চীনের সঙ্গে ‘নতুন কৌশলগত অংশীদারত্ব’ ও প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছানোর ঘোষণা দেন। চুক্তি অনুযায়ী, চীন ১ মার্চের মধ্যে কানাডা থেকে আমদানি করা ক্যানোলা তেলের শুল্ক বর্তমান ৮৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে প্রায় ১৫ শতাংশে নামাবে এবং কানাডীয় নাগরিকদের ভিসামুক্ত প্রবেশের অনুমতি দেবে। বিনিময়ে, কানাডা নতুন শুল্কহারে ৪৯ হাজার চীনা বৈদ্যুতিক যান (ইভি) আমদানি করবে।

এই চুক্তি এমন সময় এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনা বাড়ছে এবং ট্রাম্প প্রশাসন বিভিন্ন আমদানির ওপর শুল্ক আরোপ করেছে।

বেসেন্ট বলেন, “তারা যদি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে যায়, তাহলে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে। যদি আমরা দেখি যে কানাডীয়রা চীনকে পণ্য ডাম্পিংয়ের সুযোগ দিচ্ছে, তাহলে নতুন শুল্ক আরোপ করা হবে।”

এদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “চীন সফলভাবে এবং সম্পূর্ণভাবে একসময়ের মহান দেশ কানাডাকে দখলে নিচ্ছে। এটা দেখে খুবই দুঃখ লাগে।” তিনি কটাক্ষ করে আরও যোগ করেন, “আমি শুধু আশা করি, তারা আইস হকিকে একা ছেড়ে দেবে।”

এসআর